রমজান মাসের বাকি দিনগুলোয় সাহ্রি ও ইফতারে কী খাবেন
· Prothom Alo
রমজান মাসের আর অল্প কয়েকটা দিন বাকি। লম্বা ছুটিতে অনেকেই বাড়ি যাচ্ছেন। এদিক-ওদিক ঘুরতে যাচ্ছেন। জায়গা বদলের কারণে জীবনধারায় কিছুটা পরিবর্তন আসতে পারে। নিজের বাড়িতে থাকলেও ছুটির আমেজে জীবনধারা বদলায়। এ সময়ের সাহ্রি ও ইফতার প্রসঙ্গে ঢাকার আজিমপুরে অবস্থিত গভর্নমেন্ট কলেজ অব অ্যাপ্লায়েড হিউম্যান সায়েন্সের খাদ্য ও পুষ্টিবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ফাতেমা আকতার–এর সঙ্গে কথা বলে জানাচ্ছেন রাফিয়া আলম।
Visit asg-reflektory.pl for more information.
সাহ্রি ও ইফতারে নিয়মমাফিক চলা এই শেষ কয়েকটা দিনের জন্যও গুরুত্বপূর্ণযেসব বিষয় খেয়াল রাখতে হবে
সাহ্রি ও ইফতারে নিয়মমাফিক চলা এই শেষ কয়েকটা দিনের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। নইলে হুট করে অসুস্থ হয়ে পড়তে পারেন। তাতে ঈদের আনন্দ মাটি হয়ে যেতে পারে। কম তেল আর কম মসলায় তৈরি করা সহজপাচ্য খাবার বেছে নিন।
রোজকার পানির চাহিদা পূরণে সচেতন থাকুন। ছুটির আমেজে অনেকেরই শরীরচর্চার নিয়ম বদলে যায়। তাই অতিরিক্ত ক্যালরি গ্রহণ এড়িয়ে চলার ব্যাপারে চাই বাড়তি সতর্কতা। এ ছাড়া একবারে অতিরিক্ত খাবার খাওয়া উচিত নয়।
সাহ্রিতে যা খেতে পারেন
সাহ্রিতে সুষম খাবার খাবেন, যাতে সারা দিনের পুষ্টির ঘাটতি না হয়। এ সময় খেতে পারেন গোটা শস্যের তৈরি খাবার। লাল চাল, লাল আটা, ওটস, কিনোয়া প্রভৃতি। এসব খাবার লম্বা সময় শক্তি জোগাবে।
কিছুটা আমিষ রাখুন সাহ্রিতে। মাছ-মাংস খেতে না চাইলে ডিম বা দুধ খেতে পারেন। তবে সাহ্রির সময়টায় দুধ সবার জন্য উপযোগী না–ও হতে পারে। তাই বুঝেশুনে বাছাই করুন সাহ্রির আমিষ।
পর্যাপ্ত আঁশ গ্রহণের ব্যাপারটিও খেয়াল রাখুন, যাতে কোষ্ঠকাঠিন্যে ভুগতে না হয়। এ ছাড়া আঁশ আমাদের দেহের আরও বহু উপকারে আসে। তাই সবজি রাখুন সাহ্রিতে।
শাকও রাখতে পারেন। উদ্ভিজ্জ আমিষ রাখতে পারেন খাদ্যতালিকায়। নানান রকম ডাল ও বীজ খেতে পারেন।
ঝোলজাতীয় পদ রাখা ভালো। যেমন সবজির ভাজি না করে ঝোলজাতীয় পদ করুন। তেলের ক্ষতি থেকে বাঁচবেন, আবার পানির চাহিদা পূরণও সহজ হবে। এমন সবজি বেছে নেওয়া ভালো, যেসবের ভেতরটা সাদা রঙের। এসব সবজিতে পানির পরিমাণ বেশি থাকে।
ইফতার আয়োজনে
ইফতারে এমন খাবার খাবেন, যা পেট ঠান্ডা রাখে। চিড়া, টক দই, নানান রকম ফলমূল রাখুন এই কদিনের ইফতারে। টক দইয়ের ড্রেসিং দিয়ে কাঁচা সবজি বা ফলমূলের সালাদ করতে পারেন। ছোলা খাওয়াও ভালো। নানান রকম পানীয় করতে পারেন।
ঈদে সালামির প্রচলন কবে ও কোথা থেকে হলো