‘ডাকাতির উদ্দেশ্যে’ যাচ্ছিলেন মা-ছেলেসহ ২ পরিবারের ৪ জন, গ্রেপ্তার করল পুলিশ

· Prothom Alo

কক্সবাজারের চকরিয়া পৌরসভার আমাইন্যারচর এলাকায় অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এর মধ্যে দুজন সম্পর্কে মা ও ছেলে, অন্য দুজন স্বামী-স্ত্রী। পুলিশ জানিয়েছে, ডাকাতির প্রস্তুতিকালে গ্রেপ্তার করা হয়েছে তাঁদের। অভিযানে দুটি বন্দুকসহ ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

গ্রেপ্তার চারজন হলেন ওই এলাকার আবদুল কাদেরের স্ত্রী ইসমত আরা (৪৫) ও তাঁর ছেলে ইমতিয়াজুল কাদের ওরফে রায়হান (২৫) এবং মৃত নুর হোসেনের ছেলে নাছির উদ্দিন (৩৫) ও তাঁর স্ত্রী খুর্শিদা বেগম (৩৫)। অভিযানে ১টি একনলা বন্দুক, ১টি দোনলা বন্দুক, ১০টি গুলি, তালা কাটার ২টি যন্ত্র, ১টি হাতুড়ি, ১টি রামদা, কাঠের বাঁটযুক্ত ১টি চাকু এবং ১টি হাইয়েস গাড়ি ও ২টি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়েছে।

Visit asg-reflektory.pl for more information.

অভিযানে নেতৃত্ব দেন চকরিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ আরকানুল ইসলাম। তিনি জানান, বেশ কিছুদিন ধরে গোয়েন্দা তৎপরতার মাধ্যমে স্থানীয় ডাকাতদের একটি দলের সঠিক অবস্থান নিশ্চিতের চেষ্টা করছিলেন তিনি। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল রাতে পৌরসভার আমাইন্যারচর এলাকায় একটি হাইয়েস গাড়িকে থামতে বলা হয়। এ সময় গাড়ির ভেতরে একটি বন্দুক, গুলি ও ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম পাওয়া যায়। গাড়িতে থাকা চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। হাইয়েস গাড়িটির পেছনেই একটি মোটরসাইকেলে ডাকাত দলটির আরও দুই সদস্য ছিলেন। তাঁরা মোটরসাইকেলটি রেখে পালিয়ে গেছেন। পরে গ্রেপ্তার নাছির উদ্দিনের বাড়ির ছাদ থেকে আরও একটি বন্দুক ও গুলি উদ্ধার এবং একটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়।

এসআই আরকানুল ইসলাম বলেন, যানবাহন থেকে শুরু করে বসতবাড়ি ও দোকান—সবখানেই নিমেষেই ডাকাতি করতে পারে এই দল। এ দলে আরও কারা রয়েছেন, সেটি বের করার চেষ্টা চলছে। ঈদে বড় ধরনের ডাকাতির পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছিল ডাকাত দলটি।

চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মনির হোসেন বলেন, গ্রেপ্তার চারজনের বিরুদ্ধে পুলিশ বাদী হয়ে থানায় অস্ত্র আইনে ও ডাকাতির প্রস্তুতি আইনে দুটি মামলা করেছে। বিকেলে গ্রেপ্তার চারজনকে চকরিয়া সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হবে। অন্য ডাকাতদের ধরতে পুলিশ চেষ্টা করছে।

Read full story at source