ফ্রান্সের সেরা হতে আর ২ গোল চাই এমবাপ্পের
· Prothom Alo

আর মাত্র ১টি গোল চাই। তাহলেই ভাগ বসাবেন সিংহাসনে। ২ গোল করলে সেটা তাঁর নিজের হয়ে যাবে।
বলা হচ্ছে কিলিয়ান এমবাপ্পের কথা। গতকাল রাতে প্রীতি ম্যাচে ব্রাজিলের বিপক্ষে ফ্রান্সের ২-১ গোলের জয়ে একবার লক্ষ্য ভেদ করেন এমবাপ্পে। ফ্রান্স জাতীয় দলে এ নিয়ে ৫৬ গোল হয়ে গেল রিয়াল মাদ্রিদ ফরোয়ার্ডের। দেশের জার্সিতে সর্বোচ্চ গোলদাতার রেকর্ডটি ছুঁতে আর মাত্র ১ গোল চাই এমবাপ্পের। ৫৭ গোল নিয়ে রেকর্ডটি আপাতত ফ্রান্সের সাবেক স্ট্রাইকার অলিভার জিরুর দখলে।
Visit afsport.lat for more information.
ফ্রান্সের জার্সিতে ন্যূনতম ৫০ গোল করতে পেরেছেন তিনজন। জিরু ও এমবাপ্পের বাইরে এ তালিকায় অন্যজন ফরাসি কিংবদন্তি থিয়েরি অঁরি। ৫১ গোল করেছেন। তবে জিরু ও অঁরির চেয়ে একটি জায়গায় বেশ এগিয়ে এমবাপ্পে। সেটা গোল গড়ে।
ফ্রান্সের হয়ে ৫৭ গোল করতে লিল স্ট্রাইকার জিরুকে খেলতে হয়েছে ১৩৭ ম্যাচ। এ সময় ১৩ বছরের ক্যারিয়ারে ম্যাচ প্রতি ০.৪২টি করে গোল করেছেন জিরু। অঁরিকে ৫১ গোল করতে খেলতে হয় ১২৩ ম্যাচ। তাঁর ক্যারিয়ারও ১৩ বছরের, ম্যাচপ্রতি গোল গড় ০.৪১। এমবাপ্পে এখানে ব্যতিক্রম। ফ্রান্সের জার্সিতে এ পর্যন্ত মাত্র ৯ বছরের ক্যারিয়ারেই ৯৪ ম্যাচে ৫৬ গোল করে ফেলেছেন এমবাপ্পে।
গোল করার পথে দৌড়াচ্ছেন এমবাপ্পে। গতকাল রাতে ব্রাজিলের বিপক্ষে ম্যাচেফ্রান্স চলতি ফিফা আন্তর্জাতিক বিরতিতে আরও একটি প্রীতি ম্যাচ খেলবে। বাংলাদেশ সময় ৩০ মার্চ রাতে কলম্বিয়ার বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচ খেলবে দিদিয়ের দেশমের দল। এ ম্যাচেই রেকর্ডটি নিজের করে নিতে পারেন এমবাপ্পে। যদিও এসব প্রীতি ম্যাচে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি ভালোভাবে সারাই মূল লক্ষ্য রিয়াল তারকার।
প্রীতি ম্যাচে ১০ জনের ফ্রান্সের কাছে ব্রাজিলের হারব্রাজিলের বিপক্ষে জয়ের পর এমবাপ্পে বলেন, ‘আগেই বলেছিলাম, এই ম্যাচ থেকে খুব বেশি কিছু পাওয়ার নেই। এটা বিশ্বকাপের ফাইনাল ছিল না, তবে আমাদের ইতিবাচক ছন্দটা বোঝা গেছে...আমরা সামনের দিকে এগোচ্ছি এবং এই জয় বিশ্বকাপের প্রস্তুতিতে আমাদের সাহায্য করবে।’
ফিটনেস নিয়ে সমস্যা থাকায় ব্রাজিলের বিপক্ষে পুরো সময় মাঠে ছিলেন না এমবাপ্পে। ৬৬ মিনিটে তাঁকে বদলি হিসেবে তুলে নেন ফ্রান্স কোচ দেশম। এর আগে হাঁটুতে চোট পেয়েছিলেন এমবাপ্পে। সেই চোট কাটিয়ে মাঠে ফিরলেও এখনো পুরো ফিট হয়ে উঠতে পারেননি। তাঁর ফিটনেস নিয়ে ফ্রান্স কোচ দেশম বলেন, ‘তিন সপ্তাহ মাঠের বাইরে ছিল, তাই ওকে নিয়ে আমরা কোনো ঝুঁকি নিতে চাইনি। আগে থেকেই কথা ছিল ৬৫ মিনিটের বেশি ওকে খেলানো হবে না, তবে আমরা ৬০ মিনিট হওয়ার পরই ওকে তুলে নিয়েছি। ওর এখন আর কোনো ব্যথা বা অস্বস্তি নেই। ওর মধ্যে খেলার তীব্র তাড়না স্পষ্ট, পায়েও শক্তি ফিরে পাচ্ছে। অধিনায়ক হিসেবে ওর মানসিকতাও ইতিবাচক।’
বিশ্বকাপ প্লে–অফ: কারা উঠল, ফাইনালে কে কার মুখোমুখি