সাধারণ ভ্রমণকাহিনির চেয়ে ভিন্ন রবীন্দ্রনাথের ‘য়ুরোপ–প্রবাসীর পত্র’
· Prothom Alo

ভ্রমণসাহিত্যের অনন্য ও তাৎপর্যপূর্ণ রচনা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘য়ুরোপ–প্রবাসীর পত্র’ নিয়ে পাঠচক্রের আসর করেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধুসভা। ১৮ এপ্রিল বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে এটি অনুষ্ঠিত হয়।
Visit asg-reflektory.pl for more information.
পাঠচক্রে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ইউরোপ ভ্রমণের অভিজ্ঞতাভিত্তিক এই রচনা নিয়ে আলোচনা করা হয়। এতে ইউরোপের আধুনিক জীবনব্যবস্থা, শৃঙ্খলা, সময়ানুবর্তিতা ও উন্নত চিন্তাধারার চিত্র উঠে আসে। পাশাপাশি ইংরেজি সংস্কৃতির সমালোচনাও প্রতিফলিত হয়।
পাঠাগার ও পাঠচক্র সম্পাদক মুয়াজ্জিন হোসাইন বলেন, পরিবার থেকে রবীন্দ্রনাথকে ব্যারিস্টারি পড়ানোর উদ্দেশ্যে বিলেতে পাঠালেও তাঁর ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য ছিল পাশ্চাত্য সংস্কৃতিকে খুব কাছ থেকে দেখা। এই ভ্রমণকাহিনিতে তিনি তাঁর যুবক বয়সের স্পর্ধা ও দৃষ্টিভঙ্গি প্রবল বেগে প্রকাশ করেছেন, যা একে সাধারণ ভ্রমণকাহিনির চেয়ে ভিন্ন মাত্রা দিয়েছে।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধুসভার পাঠচক্রের আসর।বন্ধু বাঁধন গুহ জিসান বলেন, এই বইয়ের মাধ্যমে তরুণ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভ্রমণকাহিনি এবং তাঁর তীক্ষ্ণ পর্যবেক্ষণ ক্ষমতার পরিচয় পাওয়া যায়।
সাধারণ সম্পাদক বাঁধন রায় বলেন, এটি ছিল রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম চলিত ভাষায় লেখা বই, যা বাংলা গদ্যে এক নতুন শৈলী নিয়ে আসে।
সভাপতি সুইটি রানী বলেন, এখানে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম বিদেশ ভ্রমণের অভিজ্ঞতা, পাশ্চাত্য জীবনযাত্রা, ইংল্যান্ডের মানুষ এবং তাঁর বিদেশবাসের নানা দিক উঠে এসেছে। অল্প বয়সেই তিনি ইংরেজি সংস্কৃতির ভালো-মন্দ উভয় দিকের নিরপেক্ষ বিশ্লেষণ করেছেন।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধুসভার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শ্রাবন্তী সরকার, সহসাংগঠনিক সম্পাদক নাঈম শাহরিয়ার, প্রচার সম্পাদক শামীম হোসেন, সাংস্কৃতিক সম্পাদক আরিফুল ইসলাম, বন্ধু প্রীতিদীপ্ত রায় ও মুজাহিদ আমিন।
সভাপতি, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধুসভা