ময়মনসিংহে নবজাতকের জন্মের পর গাছ লাগানোর উদ্যোগ নজর কাড়ল প্রধানমন্ত্রীর
· Prothom Alo

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে নবজাতকের জন্ম উপলক্ষে দুটি করে গাছ লাগানোর ব্যতিক্রমী উদ্যোগ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নজরে এসেছে। এ কার্যক্রম সম্পর্কে জানতে গতকাল বৃহস্পতিবার ময়মনসিংহ বিভাগীয় বন কর্মকর্তার কার্যালয়ে সংগঠনটির তিন প্রতিনিধিকে ডাকা হয়।
গতকাল বিকেলে বিভাগীয় বন কর্মকর্তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ‘জনতার ঈশ্বরগঞ্জ’ নামের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা এহসানুল হক, স্বেচ্ছাসেবী আরিফুল হক ও শরিফুল আলম।
Visit sportbet.reviews for more information.
এ সম্পর্কে ময়মনসিংহের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা কাজী নূরুল করিম প্রথম আলোকে বলেন, তরুণদের এ উদ্যোগ প্রধানমন্ত্রীর নজরে আসার পর বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বিষয়টি জানতে চাওয়া হয়। মন্ত্রণালয়ের সচিবের নির্দেশনায় সংগঠনটির প্রতিনিধিদের ডেকে কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত জানা হয়েছে। তাদের একটি পূর্ণাঙ্গ তথ্যভিত্তিক ফাইল প্রস্তুত করতে বলা হয়েছে, যা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে।
কাজী নূরুল করিম আরও বলেন, শিগগিরই বন ও পরিবেশমন্ত্রীর এ অঞ্চলে সফরের সম্ভাবনা আছে। ওই সময় মন্ত্রী সংগঠনটির সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। তরুণদের এ উদ্যোগকে আরও এগিয়ে নিতে কী ধরনের সহায়তা দেওয়া যায়, সে বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে নবজাতকের জন্মের পর তরুণেরা দুটি করে গাছের চারা উপহার দিয়ে বাড়ির আঙিনায় রোপণ করে দেন। সম্প্রতি তোলাএ কার্যক্রম প্রধানমন্ত্রীর নজরে আসায় উৎসাহিত হয়েছেন জানিয়ে সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা এহসানুল হক বলেন, ‘আমরা পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গতানুগতিক ধারার বাইরে গিয়ে ২০২৩ সালে নবজাতক শিশুর নামে বৃক্ষরোপণ শুরু করি। আমাদের উদ্যোগটি প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টিগোচর হওয়া অনেক বড় প্রাপ্তি।’
ফেসবুকভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম ‘জনতার ঈশ্বরগঞ্জ’-এর উদ্যোগে একদল তরুণ ২০২১ সাল থেকে বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছেন। শতাধিক তরুণের অংশগ্রহণে গড়ে ওঠা সংগঠনটি ২০২৩ সালে সদস্যদের চাঁদার অর্থে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুরু করে। তবে প্রচলিত ধারার বাইরে গিয়ে তাঁরা নবজাতকের জন্ম উপলক্ষে গাছ লাগানোর উদ্যোগ নেন।
তরুণদের অন্য রকম উদ্যোগ, নবজাতকের জন্মের পর লাগানো হয় দুটি করে গাছকোনো পরিবারে শিশুর জন্মের খবর পেলেই সংগঠনের সদস্যরা সেখানে যান। তাঁরা নবজাতকের পরিবারের হাতে একটি ফলদ ও একটি বনজ গাছের চারা তুলে দেন এবং শিশুটির নামে বাড়ির আঙিনায় গাছ দুটি রোপণ করেন। ‘একটি শিশু, দুটি বৃক্ষ; লাগাব বৃক্ষ, তাড়াব দুঃখ’ স্লোগানে পরিচালিত এ কর্মসূচির আওতায় ইতিমধ্যে এক হাজারের বেশি শিশুর নামে গাছ লাগানো হয়েছে। এ বিষয়ে ১ জুন প্রথম আলোর অনলাইন সংস্করণে ‘তরুণদের অন্য রকম উদ্যোগ, নবজাতকের জন্মের পর লাগানো হয় দুটি করে গাছ’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।