ভুয়া খবরে চটলেন মিমি
· Prothom Alo

কলকাতার সংবাদমাধ্যমে ওপর চটেছেন টলিউড অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী। একাধিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, বনগাঁ আদালতে মিমির বিরুদ্ধে চার্জশিট গঠন করা হয়েছে এবং ১০ দিনের মধ্যে তাঁকে সশরীর আদালতে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
Visit bettingx.bond for more information.
এসব প্রতিবেদনকে সম্পূর্ণ ‘মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও মানহানিকর’ বলে উড়িয়ে দিয়ে কড়া আইনি বিবৃতি জারি করলেন অভিনেত্রী।
আজ সোমবার সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক চিঠিতে মিমি স্পষ্ট জানিয়েছেন, তাঁর বিরুদ্ধে এমন কোনো আইনি পদক্ষেপের খবর তো দূর, আদতে কোনো এফআইআরই নেই!
মিমি তাঁর বিবৃতিতে একাধিক প্রথম সারির পোর্টালকে সরাসরি কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন। ৬ জুন প্রকাশিত ওই সব প্রতিবেদনে অভিযোগকারী তনয় শাস্ত্রীর বয়ানের ওপর ভিত্তি করে মিমির বিরুদ্ধে চার্জশিট ও ১০ দিনের মধ্যে হাজিরার দাবি করা হয়েছিল।
মিমি চক্রবর্তীএ প্রসঙ্গে ক্ষোভ উগরে দিয়ে মিমি লিখেছেন, ‘এটা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক যে উক্ত সংবাদমাধ্যম ও সাংবাদিকেরা ইন্টারনেট বা সোশ্যাল মিডিয়ায় এ খবর ছড়িয়ে দেওয়ার আগে তথ্যের সত্যতা যাচাই করার প্রয়োজনটুকুও মনে করেননি। আমার বিরুদ্ধে আনা এই সমস্ত অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, মানহানিকর, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং সত্যবর্জিত।’
মিমি আরও যোগ করেন, এ ধরনের দায়িত্বজ্ঞানহীন রিপোর্টিং সাধারণ মানুষের দরবারে তাঁর দীর্ঘদিনের পরিশ্রমে তৈরি সুনাম ও ভাবমূর্তিকে মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।
মিমি চক্রবর্তীর ভাষ্য, বনগাঁ আদালতে তাঁর বিরুদ্ধে কোনো চার্জশিট দেওয়া হয়নি। বর্তমান তারিখ পর্যন্ত তাঁর নামে কোনো ক্রিমিনাল রেকর্ড বা এফআইআরও করা নেই।
ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের ভুয়া খবর আর না ছড়ায়, তার জন্য কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে মিমি বলেন, ‘আমি সমস্ত শ্রদ্ধেয় সংবাদমাধ্যম ও প্রকাশনা সংস্থাকে অনুরোধ করছি, প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক, ডিজিটাল বা সোশ্যাল মিডিয়া—কোথাও যেন এ ধরনের কোনো যাচাই না করা বা মিথ্যা খবর পরিবেশন বা প্রচার না করা হয়। এরপরও যদি কেউ এমনটা করেন, তবে তার সম্পূর্ণ দায় এবং আইনি ঝুঁকি ও খরচ সংশ্লিষ্ট সংস্থাকেই বহন করতে হবে।’
হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা অবলম্বনে