বাকলিয়ার শিশু ধর্ষণ মামলায় এক দিনেই ৯ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ
· Prothom Alo

চট্টগ্রাম নগরের বাকলিয়ায় চার বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগের মামলায় এক দিনেই বাদীসহ নয়জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে। আজ বুধবার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক সৈয়দা হাফসা ঝুমা এই সাক্ষ্য নেন। এর আগে গত মঙ্গলবার মামলার আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু করেছিলেন আদালত।
Visit mwafrika.life for more information.
পাঁচ কার্যদিবসে তদন্ত শেষে গত বৃহস্পতিবার আদালতে এই মামলার অভিযোগপত্র জমা দেয় বাকলিয়া থানা-পুলিশ। এতে মনির হোসেন নামের এক ব্যক্তিকে আসামি করা হয়। শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল চট্টগ্রামের সরকারি কৌঁসুলি মাহমুদুল আলম চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, মামলায় মোট ১৩ জন সাক্ষী রয়েছেন। এর মধ্যে এক দিনেই বাদী, ভুক্তভোগী, তার নানা–নানিসহ নয়জনের সাক্ষ্য নিয়েছেন আদালত। আগামীকাল বৃহস্পতিবার বাকি সাক্ষীদের সাক্ষ্য নেওয়া হবে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২১ মে বাকলিয়া এলাকার চেয়ারম্যানঘাটা এলাকার ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত মনির হোসেনকে (৩০) বিকেল চারটার দিকে আটক করে পুলিশ। তাঁকে থানায় নেওয়ার সময় বিক্ষুব্ধ লোকজন অভিযুক্ত ব্যক্তিকে তাঁদের হাতে তুলে দেওয়ার দাবি জানান। একপর্যায়ে শত শত মানুষ পুলিশের গাড়ি ঘিরে ফেলেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ সদস্যরা পিছু হটে অবস্থান নেন।
একপর্যায়ে রাত আটটার দিকে পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের শেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করলে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে সংঘর্ষের পরিস্থিতি তৈরি হয়। রাত সোয়া ১০টার দিকে এলাকায় বিদ্যুৎ চলে গেলে পুলিশ কৌশলে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে একটি ভবন থেকে বের করে নিজেদের হেফাজতে নেয়। এর পরও উত্তেজিত লোকজন সড়কে অবস্থান নিয়ে পুলিশের একটি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে বিক্ষোভ অব্যাহত রাখেন।
পুলিশ জানায়, ২২ মে শিশুটির বাবা বাদী হয়ে অভিযুক্ত মনির হোসেনকে আসামি করে বাকলিয়া থানায় মামলাটি করেন। পরে বিকেলে আদালতে হাজির করা হলে আসামি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। পরে শিশুটিও আদালতে জবানবন্দি দেয়। দুজনের জবানবন্দিতে ঘটনার বিবরণ একই পাওয়া যায়।