‘৭-১ দুঃস্বপ্নের পর ব্রাজিলের সবচেয়ে বাজে ৪৫ মিনিট’

· Prothom Alo

ম্যাচটা ব্রাজিল হারেনি। জিততে না পারলেও অন্তত এক পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছেড়েছে (১–১)। তবু ব্রাজিল সমর্থকদের মন কিছুটা খারাপই। সেটা শুধু মরক্কোর বিপক্ষে জিততে না পারার কারণে নয়, ব্রাজিল যেভাবে খেলেছে, সে কারণেও। বিশেষ করে প্রথমার্ধে।

Visit librea.one for more information.

আজ বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে মরক্কোর বিপক্ষে ব্রাজিল যে একটি গোল করেছে, সেটি হয়েছে প্রথমার্ধেই। তবে ৩২ মিনিটে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের দুর্দান্ত সেই গোল ছাড়া বাকি সময়ে ব্রাজিলকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। ব্রাজিলের সংবাদমাধ্যম ‘গ্লোবো’তে এক কলামিস্ট এটিকে ৭-১ গোলের সেই দুঃস্বপ্নের ম্যাচের প্রথমার্ধের সঙ্গে তুলনা করেছেন।

২০১৪ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে জার্মানির বিপক্ষে প্রথমার্ধে ৫ গোল হজম করেছিল ব্রাজিল। গোলসংখ্যার সঙ্গে তো আর তুলনা হয় না! তবে খেলার ধরনে, প্রতিপক্ষের আক্রমণের মুখে চিড়েচ্যাপটা হওয়ার দিক থেকে সেদিনের সঙ্গে এদিনের মিলই পেয়েছেন কলামিস্ট ফার্নান্দো কালাস।

এ ক্ষেত্রে অবশ্য পরিসংখ্যানও তাঁর অনুকূলে কথা বলছে। ১৯৬৬ বিশ্বকাপের পর মরক্কো মাত্র দ্বিতীয় দল, যারা ম্যাচের প্রথম ১০ মিনিটের মধ্যেই ব্রাজিলের গোলমুখে ৫টি শট নিতে পেরেছে। ওই সময় ব্রাজিলকে রীতিমতো দিশাহারা মনে হয়েছে।

হতাশ এক ব্রাজিল সমর্থক

ব্রাজিলের ছন্দহীন ফুটবল নিয়ে কালাস ‘গ্লোবো’তে লিখেছেন এভাবে, ‘জার্মানির কাছে ৭-১ গোলের হারের পর বিশ্বকাপে ব্রাজিলের সবচেয়ে বাজে ৪৫ মিনিট কেটেছে আজকের প্রথমার্ধে। এরপর ব্রাজিল ঘুরে দাঁড়িয়েছিল, তবে তা বদলি খেলোয়াড়দের হাত ধরে। ইবানিয়েজ, ইগর থিয়াগো ও কাসেমিরো খুবই জঘন্য খেলেছেন। আমার ধারণা, ইবানিয়েজ, ইগর পরের ম্যাচে দেখা যাবে না।’ এ ছাড়া রাফিনিয়াও ‘অটো চয়েস’ থাকবে কি না, প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।

‘ব্রাজিলের খেলা দেখছি, এমন অনুভূতি পুরো ম্যাচে একবারও আসেনি’

একই সংবাদমাধ্যমে আরেক কলামিস্ট গুস্তাভো পোলি দাবি করেছেন ব্রাজিল কোচ কার্লো আনচেলত্তি এখনো সেরা একাদশই খুঁজে পাননি। তিনি লিখেছেন, ‘প্রথমার্ধের একাদশ একদমই কাজে আসেনি। ইবানিয়েজ, থিয়াগোর শুরুর একাদশে থাকা উচিত নয়। বল পায়ে না থাকলে থিয়াগো প্রতিপক্ষের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারেন, এই কারণেই তাঁকে নামানো হয়েছিল। কিন্তু তাঁর মুভমেন্টে ঘাটতি ছিল এবং একমাত্র পাওয়া সুযোগটিও তিনি নষ্ট করেছেন।’

সেরাটা দিতে পারেননি রাফিনিয়া

দ্বিতীয়ার্ধে ব্রাজিলের খেলায় উন্নতির পেছনে ফাবিনিও, পাকেতার ভূমিকা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘ফাবিনিও মাঠে এসে মাঝমাঠে ভারসাম্য ফিরিয়ে আনেন। কাসেমিরোর চেয়ে অনেক ভালো খেলেছেন। দানিলো আসায় উইংয়ের ধারও অনেক বেড়েছে। পাকেতা শুরুটা খুব বাজে করলেও সময়ের সঙ্গে খেলায় ফিরেছেন। রাফিনিয়া প্রচুর দৌড়েছেন, কিন্তু খুব বেশি অবদান রাখতে পারেননি। আনচেলত্তি স্পষ্টতই তাঁর চূড়ান্ত শুরুর একাদশ এখনো খুঁজে পাননি।’

ব্রাজিল তাদের পরের ম্যাচ খেলবে ২০ জুন হাইতির বিপক্ষে।

ব্রাজিলের হোঁচট, মরক্কোর ইতিহাস: এক ম্যাচেই যত রেকর্ড

Read full story at source