সাঈদীর পক্ষের সাক্ষী সুখরঞ্জন বালিকে গুমের ঘটনায় পুলিশ কর্মকর্তা গ্রেপ্তার
· Prothom Alo

জামায়াতের প্রয়াত নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর পক্ষের সাক্ষী সুখরঞ্জন বালিকে গুমের ঘটনায় জড়িত অভিযোগে এক পুলিশ কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)।
দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিনি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দিতে আসেন।
Visit forestarrow.help for more information.
গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে ঢাকায় ওই পুলিশ কর্মকর্তাকে তাঁর বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
আজ শুক্রবার ডিএমপির গণমাধ্যম ও জনসংযোগ বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার নিয়াজ মেহেদী এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গ্রেপ্তার ফজলুর রহমান সহকারী পুলিশ সুপার পদের একজন কর্মকর্তা। তবে তিনি এখনো দায়িত্বে আছেন কি না, তা নিশ্চিত করে বলতে পারেননি নিয়াজ মেহেদী।
একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধকালের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আমৃত্যু কারাদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াতের প্রয়াত নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর পক্ষে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দিতে এসে ২০১২ সালে নিখোঁজ হয়েছিলেন সুখরঞ্জন বালি। পরে ভারতের কারাগারে নিয়ে যাওয়ার কথা জানান সুখরঞ্জন বালি।
গত বছরের ২১ আগস্ট আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়ে গুম, অপহরণ, নির্যাতনসহ প্রায় পাঁচ বছর ভারতে অবৈধভাবে কারাবন্দী করে রাখার অভিযোগ করেন পিরোজপুরের সুখরঞ্জন বালি। অভিযোগে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার (এস কে) সিনহাসহ ৩২ জনের নাম উল্লেখ করেন তিনি।
শেখ হাসিনাসহ ৩২ জনের বিরুদ্ধে গুমসহ ভারতে বন্দী রাখার অভিযোগ সুখরঞ্জন বালিরঅভিযোগে সুখরঞ্জন বালি বলেছেন, দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় মিথ্যা সাক্ষ্য দিতে রাজি না হওয়ায় এবং তাঁর পক্ষে সাক্ষ্য দিতে ট্রাইব্যুনালে আসায় তাঁকে গুম, অপহরণ, নির্যাতন করা হয়।
গুম অবস্থায় যেভাবে ভারতের কারাগারে সুখরঞ্জন বালি