আর্লিং হলান্ড বিয়ে করেছেন? জীবনসঙ্গী কে?
· Prothom Alo
আর্লিং হলান্ড ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬–এর শুরু থেকেই ছিলেন আলোচনায়। এ পর্যন্ত গোল করেছেন ৭টি, তার মধ্যে দুটি জড়িয়েছে ব্রাজিলের গোলপোস্টে, বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিয়েছে অনেকেরই প্রিয় দলটি। ফলে হলান্ডকে নিয়ে আগ্রহ বেড়ে গেছে স্বাভাবিকভাবেই। আলোচনায় থাকলেও ব্যক্তিজীবন নিয়ে বরাবরই সংযত ২৫ বছর বয়সী এই তারকা। ম্যানচেস্টার সিটি ও নরওয়ে জাতীয় দলের এই স্ট্রাইকার বহু বছর ধরে সম্পর্কে আছেন স্বদেশি ইসাবেল হগসেং ইয়োহানসেনের সঙ্গে। কৈশোরের বন্ধুত্ব থেকে শুরু হওয়া এই সম্পর্ক এখন পূর্ণতা পেয়েছে ছোট্ট এক পরিবারে।
ইসাবেলের জন্ম ও বেড়ে ওঠা নরওয়ের ছোট্ট শহর ব্রিনেতে, যা হলান্ডেরও জন্মস্থান। ছোটবেলা থেকেই ফুটবলের প্রতি আগ্রহ ছিল তাঁর। হলান্ডের মতো তিনিও স্থানীয় ক্লাব ব্রাইন এফকের বয়সভিত্তিক দলে খেলেছেনপরবর্তী সময়ে পেশাদার ফুটবলে ক্যারিয়ার গড়ে না তুললেও ফুটবল ইসাবেলের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তাঁর বেশ জনপ্রিয়তা। ভ্রমণ, দৈনন্দিন জীবন এবং বিভিন্ন মুহূর্ত তুলে ধরেন ছবির মাধ্যমেহলান্ড যখন মাঠে থাকেন, তিনি থাকেন গ্যালারিতে২০২৬ সালের ফুটবল বিশ্বকাপ চলাকালে নরওয়েকে সমর্থন জানাতে গ্যালারিতে উপস্থিত হয়ে নতুন করে আলোচনায় আসেন ইসাবেলটেক্সাসে সেনেগালের বিপক্ষে শেষ ষোলোর ম্যাচে হলান্ডের জার্সির সঙ্গে কাউবয়-অনুপ্রাণিত পোশাক পরে হাজির হন। সেই লুক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। পরে ইসাবেলের পোস্টে হলান্ড মজা করে মন্তব্যও করেনহলান্ড তারকা হওয়ার পর তাঁদের সম্পর্কের কথা আলোচনায় আসে। তবে পরিচয় অনেক আগে থেকেই। ব্রাইন শহরে একসঙ্গেই বড় হয়েছেন দুজন। একই ফুটবল ক্লাবের বয়সভিত্তিক দলেও খেলেছেন। তবে কিশোর বয়সে তাঁদের প্রেম শুরু হয়নি বিভিন্ন প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালের দিকে তাঁদের সম্পর্কের সূচনা হয়। তখন ইউরোপিয়ান ফুটবলে নিজের অবস্থান তৈরি করে ফেলেছেন হলান্ডআর্লিং হলান্ডের নামেই আছে হেয়ার টাই, কোম্পানিতে বিনিয়োগও করেছেন তিনি নরওয়ের সম্প্রচারমাধ্যম এনআরকেকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হলান্ড তাঁদের প্রেমের শুরুর গল্প শোনাতে গিয়ে জানান, সম্পর্কের প্রথম পদক্ষেপ নিয়েছিলেন ইসাবেলই, ‘ও-ই আমাকে প্রথম মেসেজ পাঠিয়েছিল। আমরা একই ক্লাব ব্রাইনের হয়ে খেলতাম। তবে ও-ই আগে আমাকে লক্ষ্য করেছে।’ বিশ্বজোড়া খ্যাতি থাকলেও ব্যক্তিগত সম্পর্ককে সব সময় আড়ালেই রেখেছেন হলান্ড ও ইসাবেল। ফুটবল-সংক্রান্ত অনুষ্ঠান বা বিশেষ উপলক্ষে তাঁদের একসঙ্গে দেখা গেলেও ব্যক্তিজীবন নিয়ে খুব কমই কথা বলেন তাঁরাবিশ্বকাপের মাঠে শিশুদের কানে হেডফোন নাকি অন্য কিছু, কেন পরানো হয়?সন্তানের বাবা হওয়ার পর জীবনে বড় পরিবর্তনের কথা জানিয়েছেন হলান্ড। স্কাই স্পোর্টসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘বাবা হওয়ার পর মাঠের বাইরের জীবন আরও বেশি উপভোগ করতে শিখেছি। সন্তান হওয়ার পর থেকে বাড়িতে ফিরলে ফুটবল থেকে পুরোপুরি দূরে থাকতে পারি। তখন আর ফুটবল নিয়ে ভাবি না।’সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস
Visit milkshakeslot.com for more information.
কী খেয়ে ‘মেশিনের’ মতো খেলেন আর্লিং হলান্ড, কেন মুখে টেপ মেরে ঘুমান