সুনামগঞ্জে বন্যার শঙ্কায় পৌর কর্মকর্তাদের ছুটি বাতিল, নদ-নদীর পানি কিছুটা কমেছে

· Prothom Alo

সুনামগঞ্জে নদ-নদীর পানি কিছুটা কমেছে। গতকাল শুক্রবার দিন ও রাতে বৃষ্টি কম হওয়ায় পানি কমেছে বলে জানিয়েছেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) কর্মকর্তারা।

এদিকে বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সুনামগঞ্জ পৌরসভায় নিয়ন্ত্রণকক্ষ খোলা হয়েছে। বাতিল করা হয়েছে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি। বন্যা মোকাবিলায় সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়ার কথা জানিয়েছে জেলা প্রশাসন।

Visit rouesnews.click for more information.

পাউবো সূত্রে জানা গেছে, আজ শনিবার সকাল ৯টায় সুনামগঞ্জ শহরের ষোলঘর পয়েন্টে সুরমা নদীর পানির উচ্চতা ছিল ৭ দশমিক ২৪ সেন্টিমিটার। গতকাল একই সময়ে তা ছিল ৭ দশমিক ৩০ সেন্টিমিটার। সুনামগঞ্জে গত ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টি হয়েছে ৪৫ মিলিমিটার। এর আগের ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টি হয়েছিল ৭৭ মিলিমিটার। বৃষ্টি কম হওয়ায় এবং উজান থেকে পাহাড়ি ঢল নামা কমায় নদ-নদীর পানি কিছুটা কমেছে।

সদর উপজেলার সুরমা নদীর তীরের ইব্রাহীমপুর গ্রামের বাসিন্দা মইনুল হোসেন বলেন, গতকাল রাতে বৃষ্টি কম হয়েছে। উজানের পাহাড়ি ঢলও কম নেমেছে। তাই সুরমা নদীর পানি সামান্য কমেছে। তবে বৃষ্টি হলে পানি বাড়ার শঙ্কা তাঁর।

সুনামগঞ্জে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস আছে। বৃষ্টি হলে পানি বাড়বে। এতে জেলায় স্বল্প মেয়াদে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছেন পাউবোর সুনামগঞ্জ কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. এমদাদুল হক।

নিয়ন্ত্রণকক্ষ চালু

টানা বর্ষণ ও উজানের ঢলে সম্ভাব্য বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সুনামগঞ্জ পৌরসভায় নিয়ন্ত্রণকক্ষ খোলা হয়েছে। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সব ধরনের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। এ ছাড়া জেলার অন্য তিনটি পৌরসভা দিরাই, জগন্নাথপুর ও ছাতকে নিয়ন্ত্রণকক্ষ খোলাসহ প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

গতকাল রাতে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ও স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মো. মতিউর রহমান খান স্বাক্ষরিত এক আদেশে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

সুনামগঞ্জে শুক্রবার রাতে বৃষ্টি কম হওয়ায় সুরমা নদীর পানি কিছুটা কমেছে। শনিবার সকালে শহরের ষোলঘর এলাকায় সুরমা নদীতে

সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিনহাজুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, সম্ভাব্য বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলার ১ হাজার ৩১১টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। উদ্ধারকাজ পরিচালনার জন্য পর্যাপ্ত নৌযান, স্বেচ্ছাসেবক এবং ১ হাজার ৫৬টি মেডিক্যাল টিম প্রস্তুত আছে। জেলার ১২টি উপজেলায় ১ হাজার ২০০ প্যাকেট শুকনা খাবার, জিআর চাল পাঠানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রী মজুত রাখা হয়েছে।

Read full story at source