বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে ‘কার্যকর কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সমন্বিত উদ্যোগ’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

· Prothom Alo

বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে ‘কার্যকর কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সমন্বিত উদ্যোগ’ শীর্ষক এক সেমিনারে কঠিন বর্জ্যের কার্যকর ব্যবস্থাপনায় সমন্বিত উদ্যোগে নেয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। পরিবেশ অধিদপ্তর এবং ওয়াটারএইড বাংলাদেশ–সুইসকন্টাক্ট বাংলাদেশ কনসোর্টিয়ামের যৌথ উদ্যোগে আজ সোমবার (১৩ জুলাই ২০২৬) ঢাকার আগারগাঁওয়ে পরিবেশ অধিদপ্তর অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত এই সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন পরিবেশ, বন, ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ নাভিদ শফিউল্লাহ।

পরিবেশ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মো. জিয়াউল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য দেন ওয়াটারএইড বাংলাদেশের ডিরেক্টর, প্রোগ্রামস অ্যান্ড পলিসি অ্যাডভোকেসি পার্থ হেফাজ সেখ। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেনসাঈফ মনজুর-আল-ইসলাম, টিম লিডার, গোফরইমপ্যাক্ট, ওয়াটারএইড বাংলাদেশ-সুইসকন্টাক্ট বাংলাদেশ কনসোর্টিয়াম। পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালক সৈয়দ আহম্মদ কবীর ‘কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় আইনি কাঠামো, প্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় ও অংশীজনদের অংশগ্রহণ’ শীর্ষক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

Visit sportbet.rodeo for more information.

সেমিনারের বিষয়ভিত্তিক প্যানেল আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন আইটিএন-বুয়েটের পরিচালক অধ্যাপক রওশন মমতাজ; ইউএন অফিস ফর প্রজেক্ট সার্ভিসেস (ইউএনওপিএস)-এর লিড এনভায়রনমেন্টাল ইঞ্জিনিয়ার তারিক বিন ইউসুফ; দি সিটি ব্যাংক পিএলসি-এর অপারেশনাল হেড, সাসটেইনেবল ফাইন্যান্স মোল্লা করিমুল ইসলাম; পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক (পরিবেশগত ছাড়পত্র) মাসুদ ইকবাল মো. শামীম; স্থানীয় সরকার বিভাগের যুগ্মসচিব মোহাম্মদ শামসুল হক প্রমুখ।

নাগরিক সংবাদে জীবনের গল্প, নানা আয়োজনের খবর, ভিডিও, ছবি ও লেখা পাঠাতে পারবেন পাঠকেরা। ই-মেইল: [email protected]

অনুষ্ঠানে বিষয়ভিত্তিক আলোচনার সারসংক্ষেপ উপস্থাপন এবং ভবিষ্যৎ করণীয় বিষয়ে আলোকপাত করেন সুইসকন্টাক্ট বাংলাদেশের ইন্সপায়ার প্রকল্পের টিম লিডার বিদৌরা তাহমিন খান।

অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ নাভিদ শফিউল্লাহ বলেন, কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এখন আর শুধু একটি জাতীয় সমস্যা নয়; এটি একটি বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ। এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সমন্বিত উদ্যোগের কোনো বিকল্প নেই।

সভাপতির বক্তব্যে মোহাম্মদ জিয়াউল হক বলেন, পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় থ্রি-আর (Reduce, Reuse, Recycle) কৌশলের কার্যকর বাস্তবায়ন ছাড়া এ সংকটের টেকসই সমাধান সম্ভব নয়।

অনুষ্ঠানের সমাপনী পর্বে অংশগ্রহণকারীদের প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ওয়াটারএইড বাংলাদেশের প্রোগ্রামস অ্যান্ড পলিসি অ্যাডভোকেসি ডিরেক্টর পার্থ হেফাজ সেখ।

Read full story at source