এয়ারএশিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশের উড়োজাহাজ চলাচল সহযোগিতা ও প্রযুক্তি হস্তান্তর বিষয়ে মতবিনিময়
· Prothom Alo

এয়ারএশিয়ার প্রযুক্তি স্থানান্তর করে কম খরচে এয়ারলাইন সার্ভিস, বিমানবন্দরের কার্যকারিতা, ডিজিটালাইজেশন ও উড়োজাহাজ রক্ষণাবেক্ষণ সুযোগগুলো কাজে লাগাতে চায় বাংলাদেশ। এ নিয়ে সম্প্রতি মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে এয়ারএশিয়া গ্রুপের সদর দপ্তর রেড কিউতে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাতের নেতৃত্বে বাংলাদেশের একটি উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিদলের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
প্রতিনিধিদলটিতে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন এবং মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশের হাইকমিশনার মঞ্জুরুল করিম খান চৌধুরী ছিলেন।
Visit casino-promo.biz for more information.
এয়ারএশিয়া গ্রুপের সিইও বো লিঙ্গাম বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানান এবং গ্রুপের ব্যবসা ও পরিচালনার মডেল, কার্যক্রমসংক্রান্ত সেরা পদ্ধতি এবং বৃহত্তর বিমান চলাচলে সম্ভাব্য সহযোগিতার ক্ষেত্র নিয়ে আলোচনা করেন।
লিঙ্গাম বলেন, ‘বিমান চলাচল ভ্যালু চেইনে আমাদের অভিজ্ঞতাগুলো বিনিময় করতে পেরে গর্বিত। আমরা আশা করি, এই বিনিময় আমাদের কার্যক্রম সম্পর্কে ভালো ধারণা দেবে এবং আমাদের দুই দেশের মধ্যে জ্ঞানের বিনিময় ও প্রযুক্তি হস্তান্তরের জন্য সুযোগ তৈরি করবে।’
বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলকে এয়ারএশিয়া গ্রুপের কার্যক্রম সম্পর্কে ব্রিফ করেন বিমান পরিবহন সংস্থাটির একজন নির্বাহীপরে একজন নির্বাহী ব্রিফিংয়ে এয়ারএশিয়া ম্যানেজমেন্টের কম খরচের এয়ারলাইন (এলসিসি) মডেল নিয়ে নিজেদের ধারণা তুলে ধরেন এবং টেকসই এলসিসি বৃদ্ধির জন্য একটি সহায়ক নীতি ও অপারেশনাল পরিবেশের গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করেন। আলোচনায় নেটওয়ার্ক ও ফ্লিট স্ট্র্যাটেজি, বিমানবন্দর দক্ষতা, দ্রুত বিমান রিটার্ন এবং অপারেটিং খরচ কমানোর ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত ছিল, যাতে এয়ার ট্রাভেল আরও সাশ্রয়ী ও সহজলভ্য হয়।
প্রতিনিধিদল কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর টার্মিনাল ২-এ গ্রাউন্ড টিম রেডের (জিটিআর) সঙ্গে সফর করেছে, যেখানে তারা স্বয়ংক্রিয় ও সেলফ সার্ভিস যাত্রী প্রসেসিং, ডিজিটাল ব্যাগেজ সিস্টেম এবং এমন অন্যান্য প্রযুক্তি পর্যবেক্ষণ করেছে, যা যাত্রীপ্রবাহ, বিমান ব্যবহার ও অপারেশনাল দক্ষতা বাড়াতে সাহায্য করে।