হেডিংলি টেস্টের নাটাই রুটদের হাতে, ইংল্যান্ড এগিয়ে ১৯৫ রানে
· Prothom Alo
গতকাল ম্যাচের প্রথম দিনে তাঁরা উইকেটে এসেছিলেন ৭ বলের ব্যবধানে। আজ তাঁরা বিদায় নিলেন ৪ বলের মধ্যে। মাঝে পাকিস্তানি বোলারদের হতাশ করে জর্ডান কক্স ও জো রুট মিলে গড়েছেন ১৫০ রানের জুটি। ৩৪ ওভার একসঙ্গে ব্যাটিং করার পর কক্সের বিদায়ে ভাঙে জুটি। এর আগেই লিড পেয়ে যায় ইংল্যান্ড। হেডিংলি টেস্টের দ্বিতীয় দিন শেষে লিডটাকে ১৯৫ রানে নিয়ে গেছে ইংল্যান্ড। আরেকটি বৃষ্টি-বিঘ্নিত দিন শেষে রুটদের রান ৮ উইকেটে ৩৬৬।
দুই টেস্টের ক্যারিয়ারের প্রথম ফিফটি তুলে নিয়ে সেঞ্চুরির দিকেই এগোচ্ছিলেন কক্স। তবে ৭৩ রানে দাঁড়িয়ে আলী উসমানের বলে উইকেটকিপারকে ক্যাচ দেন ওয়ানডাউনে নামা এই ব্যাটসম্যান। চার বল পর খুররম শেহজাদের বলে এলবিডব্লু হন এই টেস্ট দিয়েই আবার ইংল্যান্ডের টেস্ট অধিনায়কত্বে ফেরা রুট। ডানহাতি এ ব্যাটসম্যান ফিরেছেন ৬৬ রান করে।
Visit newsbetting.bond for more information.
শুধু ফিফটি করেই ফেরায় নিশ্চিতভাবেই হতাশ কক্স-রুটরা। তবে সেই হতাশাটা হ্যারি ব্রুকের চেয়ে বেশি হওয়ার কথা নয়। কক্সের বিদায়ের পর ব্যাটিংয়ে নামা ব্রুক যে আউট হয়েছেন নড়বড়ে নব্বইয়ে ৯১ রান করে। কী দারুণই না খেলছিলেন আইসিসি র্যাঙ্কিংয়ে বিশ্বের এক নম্বর ব্যাটসম্যান। ৯১ রান করতে খেলেছেন মোটে ৯৩ বল, মেরেছেন ১৩টি চার। পাকিস্তানি বাঁহাতি স্পিনার আলী উসমানের বলে বোল্ড হয়ে হোম গ্রাউন্ডে প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরির সুযোগ হারিয়েছেন ব্রুক। ব্রুক অবশ্য ফিরতে পারতেন মুখোমুখি হওয়া দ্বিতীয় বলেই। শেহজাদের বলে স্লিপে ক্যাচ তুলেছিলেন ব্রুক। ক্যাচ তো নিতেই পারেননি সালমান আগা, উল্টো আঙুল রক্তাক্ত করে ছেড়েছেন মাঠ, হয়ে গেছে চারও।
৬৬ রান করেছেন জো রুটসুযোগটা কাজে লাগিয়ে পঞ্চম উইকেটে ড্যান লরেন্সকে নিয়ে ১২০ রান যোগ করেন ব্রুক। ফিফটি পেয়েছেন লরেন্সও, ফিরেছেন ৫১ রান করে।
সৌদিতে খেলোয়াড় বিক্রি করে সবচেয়ে বেশি আয় কোন ক্লাবেরব্রুককে ফিরিয়ে তৃতীয় উইকেট পাওয়া আলী উসমান পরে আরও দুটি উইকেট নিয়ে টেস্ট ক্যারিয়ারে প্রথমবার ৫ উইকেট পেয়ে গেছেন।
ইংল্যান্ড আগের দিনটা শেষ করেছিল ২ উইকেটে ১১২ রান নিয়ে। বৃষ্টিতে আজ পুরো প্রথম সেশন ভেসে যায়।
৫ উইকেট পেয়েছেন আলী উসমানসংক্ষিপ্ত স্কোর
পাকিস্তান ১ম ইনিংস: ১৭১।ইংল্যান্ড ১ম ইনিংস: ৮২ ওভারে ৩৬৬/৮ (ব্রুক ৯১, কক্স ৭৩, রুট ৬৬, লরেন্স ৫১, গে ৩৩; আলী উসমান ৫/৯২)।(২য় দিন শেষে)বাবাকে মেসি—‘আর একটু অপেক্ষা করতে পারলে না?’