খাগড়াছড়িতে হঠাৎ অতি ভারী বৃষ্টি, সাজেকের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ বন্ধ
· Prothom Alo

খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় হঠাৎ অতি ভারী বৃষ্টি হয়েছে। এতে খাগড়াছড়ি-দীঘিনালা সড়কের দুই অংশে পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটেছে। এ সড়ক দিয়েই রাঙামাটির জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র সাজেক ভ্যালিতে যেতে হয়। সড়কে পাহাড়ধসের মাটি থাকায় আজ শনিবার সকাল থেকে সাজেকের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। সকাল সাড়ে ১০টায় এ প্রতিবেদন লেখার সময় পর্যন্ত সড়ক যোগাযোগ স্বাভাবিক হয়নি।
উপজেলা প্রশাসন ও দীঘিনালা আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের সূত্রে জানা যায়, গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাত ১২টা থেকে ৩টা পর্যন্ত উপজেলায় ১০৩ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে। হঠাৎ অতি ভারী এ বৃষ্টিতে দীঘিনালার মেরুং, কবাখালী, হামতলী ও বেয়োলখালী এলাকার নিচু অঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। অনেক এলাকায় আমনের খেতও ডুবে গেছে। এ ছাড়া খাগড়াছড়ির দীঘিনালা-মেরুং সড়কের ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। এ কারণে স্থানীয় বাসিন্দারা ভোগান্তিতে পড়েছেন।
Visit esporist.org for more information.
দীঘিনালার জামতলী এলাকার বাসিন্দা আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘রাতে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম। সকালে উঠে দেখি ঘরে পানি। গত মাসের শুরুতে হওয়া বন্যায়ও আমাদের ঘরে পানি ঢোকেনি। কিন্তু গতকাল রাতের বৃষ্টিতে পানি উঠে গেছে। আশপাশের এলাকাগুলো ডুবে গেছে।’
সড়কে পানি থাকায় ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। আজ সকালে দীঘিনালা উপজেলার জামতলী এলাকায়স্থানীয় আরেক বাসিন্দা অনলেন্দু ত্রিপুরা বলেন, ‘গতকাল রাতে সবকিছু স্বাভাবিক ছিল। আশপাশের পাহাড়ি ছড়ায় খুব একটা পানি ছিল না। এত বৃষ্টি এ বছরে আর দেখিনি।’
দীঘিনালা আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের বেলুন মেকার সুভূধি চাকমা বলেন, ‘গতকাল রাতে মাত্র তিন ঘণ্টায় উপজেলায় ১০৩ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে। চলতি মৌসুমে এত কম সময়ে এমন বৃষ্টি আর হয়নি।’
খাগড়াছড়ি সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সৌম্য তালুকদার বলেন, খাগড়াছড়ি-দীঘিনালা সড়কের ৫ মাইল ও ৯ মাইল এলাকায় সড়ক ধসে যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। যে অংশ ধসেছে, সেটি বেশ বড়। তবে ইতিমধ্যে মাটি সরানোর কাজ শুরু হয়েছে। মাটি সরাতে কিছুক্ষণ সময় লাগতে পারে।