স্থানীয় নির্বাচনে এবারও পোস্টার নিষিদ্ধ, থাকছে সামাজিক মাধ্যমে প্রচারের সুযোগ
· Prothom Alo

স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে নির্বাচন আচরণবিধিমালা জারি করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সিটি করপোরেশন, জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের জন্য আলাদা আলাদা আচরণবিধি প্রকাশ করা হয়েছে। অবশ্য আলাদা হলেও সব কটি আচরণবিধি প্রায় অভিন্ন।
Visit newsbetting.club for more information.
এবার স্থানীয় সরকারের নির্বাচন হবে নির্দলীয়। তাই নতুন করে আচরণবিধিমালা তৈরি করেছে ইসি। দিনক্ষণ চূড়ান্ত না হলেও ইসি এই নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। এর অংশ হিসেবে আচরণবিধি জারি করা হলো। গতকাল রোববার রাতে এসব আচরণবিধির গেজেট প্রকাশ করা হয়।
আচরণবিধিতে কিছু বিষয় নতুন যুক্ত হয়েছে। যেমন গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতো স্থানীয় সরকারের ভোটের প্রচারেও পোস্টার ব্যবহার করা যাবে না। তবে ব্যানার, ফেস্টুন, হ্যান্ডবিল ও বিলবোর্ড প্রচারণা করা যাবে। এ ক্ষেত্রে কোন পরিমাপের প্রচারসামগ্রী ব্যবহার করা যাবে, তা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে।
নির্বাচনে ডিজিটাল ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারের সুযোগ রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানো, চরিত্র হনন, ভুয়া তথ্য বা ঘৃণাত্মক বক্তব্য প্রচার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। অনলাইন প্রচারণার আগে অ্যাকাউন্ট আইডি, ই-মেইল রিটার্নিং কর্মকর্তাকে জমা দিতে হবে।
আগের মতোই স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রচারের সময় নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। প্রতীক বরাদ্দের আগে প্রচার চালানো যাবে না। জনসভা বা মিছিল করা যাবে না। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় প্রার্থীর সঙ্গে সর্বোচ্চ পাঁচজন সমর্থক থাকতে পারবেন।
প্রার্থীর পক্ষে-বিপক্ষে ভোটারদের প্রভাবিত করতে ভোটারের বা পরিবারের সদস্যদের ব্যক্তিগত এনআইডি নম্বর সংগ্রহ এবং মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসে (এমএফএস) লেনদেনের উদ্দেশ্যে মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করা যাবে না।
স্থানীয় নির্বাচনে প্রার্থীর পক্ষে প্রচারে অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা অংশ নিতে পারবেন না। সরকারি গুরুত্বপূর্ণ পদের সংজ্ঞায় প্রধানমন্ত্রী, জাতীয় সংসদের স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার, সরকারের মন্ত্রী, চিফ হুইপ, বিরোধীদলীয় নেতা, সংসদ উপনেতা, বিরোধীদলীয় উপনেতা, প্রতিমন্ত্রী, হুইপ, উপমন্ত্রী বা তাঁদের সমপদমর্যাদার কোনো ব্যক্তি, সংসদ সদস্য, সিটি করপোরেশনের মেয়র বা মেয়রের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি বা প্রশাসকদের সিটি, উপজেলা, পৌর, জেলা ও ইউনিয়ন পরিষদের ভোটে প্রচারণায় অংশ নিতে মানা করা হয়েছে।
প্রার্থী ছাড়া চেয়ারম্যান, মেয়র বা প্রশাসক বা স্থানীয় সরকারের দায়িত্বপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তি প্রচারে অংশ নিতে পারবেন না। আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে কারাদণ্ড বা অথর্দণ্ড বা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। এ ছাড়া গুরুতর লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল করতে পারবে।