তিস্তাকে দেখার নতুন চোখ
· Prothom Alo

এক নদী থেকে যেমন আরেক নদীর জন্ম হয়, তেমনি পানি ও প্রবাহবিষয়ক বর্ষপত্র ‘নদী’ থেকে জন্ম নিয়েছে প্রাণ ও প্রবাহবিষয়ক সাময়িকী নদীচিন্তা। প্রথম বর্ষের প্রথম সংখ্যা, জুন ২০২৬—এই পরিচয়েই নতুন সাময়িকীটির আত্মপ্রকাশ। প্রকাশ করেছে রিভারাইন পিপল; প্রকাশক শেখ রোকন এবং সম্পাদক নূরুননবী শান্ত। সম্পাদনা পর্ষদে আছেন নিশাত জাহান রানা, আলতাফ পারভেজ, রমেন বিশ্বাস, খায়রুল বাশার শামীম, জাভেদ হুসেন, শুভ্রা দাশ ও শাহমান মৈশান। এই সংখ্যার মূল বিষয় তিস্তা। তবে তিস্তাকে এখানে শুধু একটি নদী হিসেবে নয়, পানি, প্রকৃতি, অর্থনীতি, রাজনীতি, ভূরাজনীতি, সংস্কৃতি ও মানুষের জীবনযাপনের মিলিত এক বাস্তবতা হিসেবে হাজির করা হয়েছে।
Visit sportfeeds.autos for more information.
নদীচিন্তার প্রথম সংখ্যার সবচেয়ে বড় কৃতিত্ব সম্ভবত এই যে তিস্তা নিয়ে বহুলচর্চিত ‘চীন না ভারত’ বিতর্কের বাইরে যাওয়ার চেষ্টা করেছে। তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়ে বাংলাদেশের জনপরিসরে আলোচনা বেশির ভাগ সময়ই দুই ধরনের অবস্থানে আটকে থাকে—একদিকে বড় অবকাঠামো ও উন্নয়নের স্বপ্ন, অন্যদিকে পরিবেশগত বিপর্যয়ের আশঙ্কা। এই সংখ্যার লেখাগুলো সেই সরল দ্বৈততার পরিবর্তে প্রশ্ন তুলেছে: তিস্তাকে বাঁচিয়ে, তিস্তাপারের মানুষের জীবন-জীবিকা রক্ষা করে এবং নদীর স্বাভাবিক চরিত্রকে বিবেচনায় নিয়ে উন্নয়ন কি সম্ভব?
সংখ্যাটির একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো এর বহুস্বর। একই প্রকল্পকে কেউ অর্থনৈতিক সম্ভাবনার দিক থেকে দেখেছেন, কেউ পরিবেশ ও প্রতিবেশের ঝুঁকি থেকে, কেউ আন্তর্জাতিক পানি আইন ও কূটনীতির আলোকে, কেউ মৎস্যসম্পদ ও স্থানীয় জীবনের দৃষ্টিতে। আবার কেউ নদীকে দেখেছেন ইতিহাস, লোকসংস্কৃতি ও মানুষের স্মৃতির ধারক হিসেবে। ফলে ‘তিস্তা’ এখানে একটি প্রকল্পের নামের চেয়ে অনেক বড় হয়ে উঠেছে।
প্রাণ ও প্রবাহ বিষয়ক সাময়িকী ‘নদীচিন্তা’র প্রচ্ছদআলতাফ পারভেজের লেখাটি সংখ্যার অন্যতম শক্তিশালী সমালোচনামূলক নিবন্ধ। তিনি তিস্তাকে অবকাঠামো, পানিবিজ্ঞান, কৃষি, পরিবেশ ও ভূরাজনীতির সংযোগস্থলে রেখেছেন। ব্যাপক ড্রেজিং, বাঁধ, গ্রোয়েন, নদীর প্রস্থ সংকোচন, প্লাবনভূমি বিচ্ছিন্ন করা এবং পুনরুদ্ধার করা জমিতে নগরায়ণের সম্ভাব্য অভিঘাত নিয়ে তাঁর প্রশ্নগুলো গুরুত্বপূর্ণ।
নূরুননবী শান্তর অনুবাদ করা ২০২০ সালের প্রাথমিক উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনার আলোচনা সংখ্যাটির জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি ভিত্তি তৈরি করেছে। প্রকল্পের নাম, বাস্তবায়নকারী সংস্থা, সম্ভাব্য ব্যয়, ড্রেজিং, বাঁধ, নদীতীর সংরক্ষণ, ভূমি পুনরুদ্ধার, নৌপরিবহন ও শুষ্ক মৌসুমে পানি সংরক্ষণের মতো বিষয়গুলো পাঠকের সামনে এসেছে। তবে অনুবাদটির মূল্য শুধু তথ্য পরিবেশনে নয়; এর সঙ্গে যুক্ত মূল্যায়নে মনে করিয়ে দেওয়া হয়েছে যে এটি চূড়ান্ত প্রকল্প-নকশা নয়, ২০২০ সালের একটি প্রাথমিক দলিল। পরবর্তী সময়ে প্রকল্পের বিভিন্ন উপাদান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে এবং চীনা মূল্যায়নেও প্রকল্প ছোট আকারে ও ধাপে বাস্তবায়নের পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। এই সতর্কতা জরুরি, কারণ বড় প্রকল্পের প্রাথমিক প্রস্তাবনাকে চূড়ান্ত পরিকল্পনা হিসেবে পড়লে বিতর্কটি অকারণে বিভ্রান্তিকর হয়ে উঠতে পারে।
আলতাফ পারভেজের লেখাটি সংখ্যার অন্যতম শক্তিশালী সমালোচনামূলক নিবন্ধ। তিনি তিস্তাকে অবকাঠামো, পানিবিজ্ঞান, কৃষি, পরিবেশ ও ভূরাজনীতির সংযোগস্থলে রেখেছেন। ব্যাপক ড্রেজিং, বাঁধ, গ্রোয়েন, নদীর প্রস্থ সংকোচন, প্লাবনভূমি বিচ্ছিন্ন করা এবং পুনরুদ্ধার করা জমিতে নগরায়ণের সম্ভাব্য অভিঘাত নিয়ে তাঁর প্রশ্নগুলো গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করেছেন, কিছু আশঙ্কা রাজনৈতিকভাবে গ্রহণযোগ্য হলেও সেগুলোকে বৈজ্ঞানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত কারণ-ফল সম্পর্ক হিসেবে দেখাতে আরও প্রমাণ প্রয়োজন। এই আত্মসংযম তাঁর লেখাটিকে আরও বিশ্বাসযোগ্য করেছে।
মাহাবুবা রহমানের লেখায় তিস্তা উঠে এসেছে হাইড্রো-কূটনীতি ও অংশগ্রহণমূলক নদী শাসনের আলোকে। তথ্য ভাগাভাগি, যৌথ গবেষণা, স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ এবং অববাহিকাভিত্তিক ব্যবস্থাপনার যে ধারণা তিনি দিয়েছেন, তা গুরুত্বপূর্ণ। সিন্ধু ও মেকং অববাহিকার আন্তর্জাতিক ব্যবস্থাপনার উদাহরণ এনে তিনি সম্ভাব্য পথ দেখিয়েছেন। তবে একই সঙ্গে তাঁর লেখার সীমাবদ্ধতাও আলোচনায় এসেছে—মেকংয়ের প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো সরাসরি তিস্তায় প্রয়োগযোগ্য নয়, আর তিস্তা চুক্তির বণ্টন-অনুপাতের মতো সংবেদনশীল তথ্যের ক্ষেত্রে মূল দলিলনির্ভরতা জরুরি।
তাসনুভা শেলীর লেখাটি আন্তর্জাতিক পানি আইনের দিকে পাঠকের দৃষ্টি ফেরায়। ‘ন্যায্য ও যুক্তিসংগত ব্যবহার’, ‘উল্লেখযোগ্য ক্ষতি না করা’, তথ্য বিনিময় ও সহযোগিতার মতো নীতির আলোকে তিস্তার প্রশ্নটি তিনি ব্যাখ্যা করেছেন। তবে এখানেও লেখাটির শক্তি যেমন আছে, তেমনি সংশোধনের জায়গাও আছে। আন্তর্জাতিক পানি আইনের নীতিকে নির্দিষ্ট পরিমাণ পানি পাওয়ার নিশ্চয়তা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। একইভাবে ১৯৮৩ সালের অন্তর্বর্তী বণ্টন ও ২০১১ সালের স্বাক্ষর না হওয়া খসড়ার পার্থক্যও পরিষ্কারভাবে উপস্থাপন করা দরকার। এই ধরনের সূক্ষ্মতা তিস্তাবিষয়ক লেখায় বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।
অর্থনীতির দিকটি সামনে এনেছেন আলতাফ রাসেল। তাঁর লেখার ভালো দিক হলো, তিস্তা মহাপরিকল্পনার সম্ভাব্য সুফলের পাশাপাশি রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয়, পরিবেশগত ক্ষতি, ভূমি অধিগ্রহণ, জীবিকা হারানো ও সুযোগ-ব্যয়ের প্রশ্ন তোলা। তবে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, ভূমির মূল্য কিংবা বিনিয়োগের রিটার্নের মতো সংখ্যাগুলো যথাযথ উৎস ও হিসাবপদ্ধতি ছাড়া গ্রহণ করা কঠিন। এ ক্ষেত্রেও লেখাটি যে প্রশ্ন তুলেছে, তার চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে—সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে স্বাধীন ব্যয়-সুফল বিশ্লেষণ কতটা জরুরি।
শেখ রোকনের অনুসন্ধানী লেখাটি প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। ২০১৯ ও ২০২৩ সালের প্রতিবেদনের তুলনা, কারিগরি নকশা এবং বিদেশি নদী ব্যবস্থাপনার মডেল তিস্তায় প্রয়োগের যৌক্তিকতা নিয়ে তাঁর অনুসন্ধান সংখ্যাটির নীতিগত গুরুত্ব বাড়িয়েছে। ড. মাহমুদুল ইসলাম (সেলিম) আবার সম্ভাব্য সমাধানের দিকে তাকিয়ে দেশীয় বিশেষজ্ঞের নেতৃত্ব, জিআইএস, রিমোট সেন্সিং, হাইড্রোলজিক্যাল মডেলিং, সেডিমেন্ট ব্যবস্থাপনা, কমিউনিটি ওয়াটার কাউন্সিল ও স্বচ্ছ অর্থায়নের মতো প্রস্তাব দিয়েছেন।
এফ এম আনোয়ার হোসেন, তুহিন ওয়াদুদ ও অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম হক্কানীর লেখাগুলো তিস্তাকে কৃষি, মৎস্য, জীবিকা, বন্যা-ভাঙন ও আঞ্চলিক উন্নয়নের সঙ্গে যুক্ত করেছে। তাঁদের লেখায় স্থানীয় মানুষকে প্রকল্পের কেন্দ্রে রাখার আকাঙ্ক্ষা স্পষ্ট। কিন্তু এসব লেখার একটি সাধারণ সমস্যা হলো পরিসংখ্যানের উৎস সব সময় পরিষ্কার নয়। তিস্তা ব্যারাজের সেচ এলাকা, মাছের প্রজাতি, প্রবাহের পরিমাণ, কৃষি উৎপাদন বা ভাঙনের ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে ব্যবহৃত সংখ্যাগুলো একে অপরের সঙ্গে কখনো কখনো অসামঞ্জস্যপূর্ণ। এমন একটি সংখ্যাভিত্তিক বিষয়ে উৎসের নির্ভুলতা সাময়িকীটির ভবিষ্যৎ সংখ্যাগুলোতে আরও গুরুত্ব পাওয়া উচিত।
তাপস রঞ্জন চক্রবর্তীর ‘তিস্তা মহাপরিকল্পনা ও মৎস্যসম্পদ’ নিবন্ধটি বিশেষভাবে প্রয়োজনীয়। বড় নদী প্রকল্পের আলোচনায় মাছ প্রায়ই পরিসংখ্যানের আড়ালে হারিয়ে যায়। এই লেখায় মাছের প্রজাতি, পরিযায়ী মাছ, আবাসস্থল, খাদ্যশৃঙ্খল ও মৎস্যজীবীদের জীবনকে প্রকল্পের নকশার সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। নদী পুনরুদ্ধার মানে শুধু নদীর গভীরতা বাড়ানো নয়; মাছের জীবনচক্র ও জলজ প্রতিবেশ পুনরুদ্ধারও তার অংশ—এই উপলব্ধি লেখাটির বড় অর্জন।
সুবীর সরকারের ‘তিস্তা আসলে এক আদ্যন্ত উপাখ্যান’ সংখ্যাটিকে অন্য মাত্রা দিয়েছে। ভাওয়াইয়া, লোকনাট্য, মেলা, চরজীবন ও মানুষের স্মৃতির মধ্য দিয়ে তিস্তাকে তিনি ‘মানুষের নদী’ হিসেবে দেখেছেন। নীতিপত্র ও প্রকল্পের ভাষার বাইরে এই তিস্তা না থাকলে নদী নিয়ে যেকোনো পরিকল্পনাই অসম্পূর্ণ থেকে যায়। লেখাটি মনে করিয়ে দেয়, নদীর মৃত্যু মানে শুধু পানিপ্রবাহ কমে যাওয়া নয়; হারিয়ে যেতে পারে জীবিকা, লোকসংস্কৃতি, স্মৃতি ও সামাজিক পরিচয়ও।
শেখ রোকনের অনুসন্ধানী লেখাটি প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। ২০১৯ ও ২০২৩ সালের প্রতিবেদনের তুলনা, কারিগরি নকশা এবং বিদেশি নদী ব্যবস্থাপনার মডেল তিস্তায় প্রয়োগের যৌক্তিকতা নিয়ে তাঁর অনুসন্ধান সংখ্যাটির নীতিগত গুরুত্ব বাড়িয়েছে। ড. মাহমুদুল ইসলাম (সেলিম) আবার সম্ভাব্য সমাধানের দিকে তাকিয়ে দেশীয় বিশেষজ্ঞের নেতৃত্ব, জিআইএস, রিমোট সেন্সিং, হাইড্রোলজিক্যাল মডেলিং, সেডিমেন্ট ব্যবস্থাপনা, কমিউনিটি ওয়াটার কাউন্সিল ও স্বচ্ছ অর্থায়নের মতো প্রস্তাব দিয়েছেন।
তিস্তা নিয়ে শেষ কথা বলার চেয়ে তিস্তা সম্পর্কে আরও ভালোভাবে জানার প্রয়োজনীয়তাই নদীচিন্তার প্রথম সংখ্যা সামনে আনে। একটি নদীকে কেবল বাঁধ, ড্রেজার, সেচ, নৌপথ বা বিনিয়োগের হিসাব দিয়ে বোঝা যায় না। তার সঙ্গে থাকে পানি, পলি, মাছ, কৃষি, চর, মানুষ, স্মৃতি, সীমান্ত ও রাজনীতি। এই বহুমাত্রিক তিস্তাকে এক মলাটে ধরে রাখার প্রয়াস হিসেবেই নদীচিন্তার আত্মপ্রকাশ তাৎপর্যপূর্ণ।
আর অধ্যাপক স্বাধীন সেনের সাক্ষাৎকার সংখ্যাটির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিসর আরও বাড়িয়েছে। প্রত্নতত্ত্ব, জিও-আর্কিওলজি ও প্যালিও-ইকোলজির দৃষ্টিতে তিস্তাকে দেখার আহ্বানটি গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর মূল প্রশ্ন—নদীকে প্রকৌশল দিয়ে বদলানোর আগে নদীর দীর্ঘ ইতিহাস ও স্বাভাবিক পরিবর্তনশীলতা কি আমরা যথেষ্ট বুঝেছি?—পুরো সংখ্যাটির জন্যই যেন একটি প্রাসঙ্গিক প্রশ্ন।
সব মিলিয়ে, নদীচিন্তার প্রথম সংখ্যা নিখুঁত নয়। কিছু লেখায় তথ্যসূত্রের ঘাটতি, পরিসংখ্যানের অসামঞ্জস্য, অনুমান ও প্রমাণের সীমারেখা অস্পষ্ট থাকা এবং প্রকল্পের ইতিবাচক সম্ভাবনার তুলনায় ঝুঁকির ওপর বেশি জোর দেওয়ার প্রবণতা আছে। কিন্তু প্রথম সংখ্যার জন্য এর সবচেয়ে বড় সাফল্য হলো—এটি তিস্তা নিয়ে একটি একমাত্রিক মত তৈরি করেনি; বরং প্রশ্ন করার জায়গা তৈরি করেছে।
তিস্তা নিয়ে শেষ কথা বলার চেয়ে তিস্তা সম্পর্কে আরও ভালোভাবে জানার প্রয়োজনীয়তাই নদীচিন্তার প্রথম সংখ্যা সামনে আনে। একটি নদীকে কেবল বাঁধ, ড্রেজার, সেচ, নৌপথ বা বিনিয়োগের হিসাব দিয়ে বোঝা যায় না। তার সঙ্গে থাকে পানি, পলি, মাছ, কৃষি, চর, মানুষ, স্মৃতি, সীমান্ত ও রাজনীতি। এই বহুমাত্রিক তিস্তাকে এক মলাটে ধরে রাখার প্রয়াস হিসেবেই নদীচিন্তার আত্মপ্রকাশ তাৎপর্যপূর্ণ। বাংলাদেশের নদী নিয়ে আরও তথ্যনির্ভর, বহুমাত্রিক ও বিতর্কসহিষ্ণু প্রকাশনার প্রয়োজন আছে। সেই প্রয়োজনের জায়গায় নদীচিন্তা প্রথম পদক্ষেপটি যথেষ্ট আশাব্যঞ্জকভাবেই নিয়েছে।
নদীচিন্তা
সম্পাদক: নূরুননবী শান্ত
প্রথম সংখ্যা, জুন ২০২৬
প্রকাশক: রিভারাইন পিপল
প্রচ্ছদ: তুহিন ওয়াদুদের আলোকচিত্র অবলম্বনে শাওন আকন্দ
পৃষ্ঠা: ১৪৪; মূল্য: ৩৫০ টাকা