পঞ্চমবারের মতো ‘বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন’ শুরু হচ্ছে কাল, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

· Prothom Alo

বিভিন্ন দেশের চিন্তাবিদ, সাবেক রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান, মন্ত্রী, কূটনীতিক, গবেষক, সাংবাদিক, ব্যবসায়ী নেতা, নিরাপত্তাবিষয়ক বিশেষজ্ঞ, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি ও তরুণ নেতাদের অংশগ্রহণে ঢাকায় আগামীকাল শনিবার শুরু হতে যাচ্ছে ‘বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন ২০২৬’।

পঞ্চমবারের মতো অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই আন্তর্জাতিক সংলাপ চলবে টানা তিন দিন। কাল সকালে রাজধানীর কারওয়ান বাজারের প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে এর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

Visit tr-sport.bond for more information.

সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত এই সংলাপে ১০০টির বেশি দেশের প্রায় দেড় হাজার প্রতিনিধি অংশ নেবেন। আয়োজকেরা জানিয়েছেন, এবারের অনুষ্ঠানে প্রায় ২০০ জন বক্তা থাকবেন। সার্বিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট বরিস তাদিচ, মালির সাবেক প্রধানমন্ত্রী মুসা মারা এবং মালদ্বীপের সাবেক প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ নাশিদসহ আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক অঙ্গনের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা এতে অংশ নেবেন।

আজ শুক্রবার সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে সংবাদ সম্মেলনে এবারের আয়োজনের বিস্তারিত তুলে ধরেন সিজিএসের সভাপতি ও টেলিভিশন উপস্থাপক জিল্লুর রহমান।

এবারের কর্মসূচি পাঁচটি কৌশলগত স্তম্ভের ওপর সাজানো হয়েছে। এগুলো হলো—পরিবর্তনশীল ক্ষমতার রাজনীতি: ভূরাজনীতি, নিরাপত্তা ও কৌশলগত প্রতিযোগিতা; প্রযুক্তির নতুন দিগন্ত: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার স্পেস ও তথ্যের ক্ষমতা; অর্থনীতির নতুন ভূগোল: বাণিজ্য, সংযোগ ও প্রবৃদ্ধির নতুন বাস্তবতা; জলবায়ু, স্থিতিস্থাপকতা ও মানব নিরাপত্তা এবং আস্থা, গণতন্ত্র ও সুশাসনের ভবিষ্যৎ।

এবারের সংলাপের প্রতিপাদ্য ‘ফ্র্যাগমেন্টস, ফ্রন্টিয়ার্স, ফিউচার্স: নেভিগেটিং পাওয়ার, টেকনোলজি অ্যান্ড ট্রাস্ট ইন আ ওয়ার্ল্ড রিরিটেন’। বাংলায় এর ভাবার্থ—‘পুনর্লিখিত এক বিশ্বে ক্ষমতা, প্রযুক্তি ও আস্থার নতুন পথচলা’।

জিল্লুর রহমান বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সংলাপের উদ্বোধন করবেন এবং উদ্বোধনী বক্তব্য দেবেন। তিনি বলেন, ১০০টির বেশি দেশ থেকে প্রায় ২০০ জন বক্তা, ৩০০ জন প্রতিনিধি ও ১ হাজারের বেশি অংশগ্রহণকারী এবারের আয়োজনে যোগ দেবেন।

এবারের কর্মসূচি পাঁচটি কৌশলগত স্তম্ভের ওপর সাজানো হয়েছে। এগুলো হলো—পরিবর্তনশীল ক্ষমতার রাজনীতি: ভূরাজনীতি, নিরাপত্তা ও কৌশলগত প্রতিযোগিতা; প্রযুক্তির নতুন দিগন্ত: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার স্পেস ও তথ্যের ক্ষমতা; অর্থনীতির নতুন ভূগোল: বাণিজ্য, সংযোগ ও প্রবৃদ্ধির নতুন বাস্তবতা; জলবায়ু, স্থিতিস্থাপকতা ও মানব নিরাপত্তা এবং আস্থা, গণতন্ত্র ও সুশাসনের ভবিষ্যৎ।

আয়োজকেরা জানিয়েছেন, এবারের অনুষ্ঠানে প্রায় ২০০ জন বক্তা থাকবেন। সার্বিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট বরিস তাদিচ, মালির সাবেক প্রধানমন্ত্রী মুসা মারা এবং মালদ্বীপের সাবেক প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ নাশিদসহ আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক অঙ্গনের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা এতে অংশ নেবেন।

পূর্ণাঙ্গ অধিবেশন, নেতৃত্বের ফোরাম, কৌশলগত সংলাপ, স্টুডিও সংলাপ, আমন্ত্রণভিত্তিক গোলটেবিল বৈঠক ও ছোট পরিসরের মতবিনিময়ের মাধ্যমে এসব বিষয়ে আলোচনা হবে বলে উল্লেখ করেন জিল্লুর রহমান।

জিল্লুর রহমান বলেন, এবার ‘বিওবিসি স্পটলাইট’ নামে একটি পর্বও থাকছে। এতে প্রচলিত প্যানেল আলোচনার বাইরে বক্তারা নিজেদের পছন্দের কোনো ধারণা বা বিষয় তুলে ধরার সুযোগ পাবেন। ভূরাজনীতি ও সংঘাত থেকে সমুদ্র, নেতৃত্ব, আধ্যাত্মিকতা, হাস্যরস এবং মানুষের ঘুরে দাঁড়ানোর সক্ষমতা—বিভিন্ন বিষয় এতে উঠে আসবে।

জিল্লুর রহমান বলেন, এবারের কনভারসেশনে ‘দ্য নিউ স্ট্র্যাটেজিক মিডল’, ‘হোয়াই দ্য বে মেটার্স টু দ্য ওয়ার্ল্ড’, ‘দ্য ফিউচার অব এশিয়া’, ‘পাওয়ার অ্যান্ড প্রুডেন্স’, ‘উইমেন শেপিং দ্য ফিউচার’, ইয়াং লিডার্স ফোরাম ও বে অব বেঙ্গল লেকচার থাকছে।

‘দ্য নিউ স্ট্র্যাটেজিক মিডল’ অধিবেশনে বহুমেরু বিশ্বে নিজস্ব সিদ্ধান্ত গ্রহণের সক্ষমতা, প্রভাব ও নেতৃত্ব নিয়ে আলোচনা হবে। ‘হোয়াই দ্য বে মেটার্স টু দ্য ওয়ার্ল্ড’–এ সিজিএসের বার্ষিক বিশেষ আলোচনা হবে।

এতে ছোট পরিসরের ও আমন্ত্রণভিত্তিক আলোচনায় অংশগ্রহণকারীরা নিজেদের মধ্যে তুলনামূলকভাবে বেশি সময় নিয়ে মতবিনিময়ের সুযোগ পাবেন।

প্রধানমন্ত্রীকে এবারের আয়োজনের উদ্বোধক করার বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে জিল্লুর রহমান বলেন, সংলাপের আগের আয়োজনগুলোতে বিভিন্ন সময়ে জাতীয় সংসদের স্পিকার, বিদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী, সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ও সাবেক প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ উদ্বোধক ছিলেন।

এবার বর্তমান প্রধানমন্ত্রীকে উদ্বোধক করা হয়েছে। জিল্লুর রহমান বলেন, তিনি কোন দলের প্রধানমন্ত্রী, সেটি বিবেচনা করা হয়নি; তিনি দেশের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী হিসেবেই আমন্ত্রণ পেয়েছেন। ভবিষ্যতে অন্য কোনো দলের কেউ প্রধানমন্ত্রী হলে তাঁকেও আমন্ত্রণ জানানো হবে।

জিল্লুর রহমান বলেন, ৩ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উদ্বোধনী বক্তব্যের মধ্য দিয়ে কনভারসেশন শুরু হবে। ৫ অক্টোবর সমাপনী অধিবেশনের আগে প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী জুবাইদা রহমানও বক্তব্য দেবেন।

মন্ত্রিসভার সদস্য, রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিনিধি ও সংসদ সদস্যদেরও আয়োজনে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

এবারের আয়োজনে ভারতের সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এম জে আকবরের পাশাপাশি বাংলাদেশের অধ্যাপক রেহমান সোবহান, অধ্যাপক রওনক জাহান, প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান, দ্য ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনাম, নিউ এজ সম্পাদক নূরুল কবীর, সিপিডির দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য, হোসেন জিল্লুর রহমান, নাজনীন আহমেদ, ফাহমিদা খাতুনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশিষ্টজনেরা অংশ নেবেন।

Read full story at source