বিএসএফের গুলিতে আহত বাংলাদেশির চিকিৎসা চলছে ভারতে, আশঙ্কামুক্ত জানাল বিজিবি
· Prothom Alo

চুয়াডাঙ্গার জীবননগর সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে আহত বাংলাদেশি যুবক মনিরুল ইসলামকে ভারতের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁর পায়ে গুলি ও পিঠে আঘাত লেগেছে। পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার কৃষ্ণনগরের শক্তিনগর হাসপাতালে পুলিশি নজরদারিতে তাঁর চিকিৎসা চলছে। তবে তিনি আশঙ্কামুক্ত বলে জানিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
এর আগে শুক্রবার সন্ধ্যার পর জীবননগর উপজেলার সীমান্ত ইউনিয়নের মেদিনীপুর সীমান্ত এলাকায় বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এ সময় বিএসএফের গুলিতে মনিরুল আহত হন। তাঁর বাড়ি জীবননগর উপজেলার হরিহরনগর গ্রামে।
Visit h-doctor.club for more information.
মনিরুলের গুলিবিদ্ধ হওয়া ও ভারতের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার বিষয়টি আজ রোববার সকালে প্রথম আলোকে নিশ্চিত করেছেন বিজিবির মহেশপুর ব্যাটালিয়নের (৫৮ বিজিবি) ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক মেজর তোয়াসীন হাবিব।
মেজর তোয়াসীন হাবিব প্রথম আলোকে বলেন, গতকাল শনিবার রাতে বিএসএফের সঙ্গে যোগাযোগ হয়েছে। তাঁদের থেকে পাওয়া তথ্যমতে, সাতজন বাংলাদেশি চোরাকারবারি সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে প্রবেশের চেষ্টা করেন। বিএসএফ সদস্যরা বাধা দিলে তাঁরা ধারালো অস্ত্র নিয়ে তাঁদের (বিএসএফ) ওপর হামলার চেষ্টা করেন। তখন বিএসএফ গুলি ছোড়ে।
বিজিবির এই কর্মকর্তা আরও বলেন, মনিরুল গুলিবিদ্ধ হলে তাঁর সঙ্গে থাকা অন্যরা তাঁকে ফেলে পালিয়ে যান। পরে তাঁকে উদ্ধার করে ভারতের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তিনি বলেন, সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গুলিবিদ্ধ মনিরুল এখন আশঙ্কামুক্ত। সুস্থ হলে তাঁকে পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হবে।
চুয়াডাঙ্গা সীমান্তে বিএসএফ-বিজিবির পাল্টাপাল্টি গুলি, এক বাংলাদেশি আহত হওয়ার খবরঘটনাটি নিয়ে ভারতের একাধিক সংবাদমাধ্যম প্রতিবেদন প্রকাশ করে। একটি প্রতিবেদনে বলা হয়, শুক্রবার সন্ধ্যায় মনিরুল ইসলামসহ সাতজন ডিঙিনৌকায় করে সীমান্তের কাঁটাতারের কাছে পৌঁছান। বিএসএফ বাধা দিলে তাঁরা নির্দেশ অমান্য করে ভারতে প্রবেশের চেষ্টা করেন। এ সময় গুলি ও রাবার বুলেট ছোড়া হয়। এতে মনিরুলের ডান পায়ে গুলি লাগে এবং পিঠে রাবার বুলেটের আঘাত লাগে। তাঁর সঙ্গে থাকা অন্য ছয়জন পালিয়ে যান। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে তিন কেজি সোনা উদ্ধার করা হয়েছে।