৪৯ বলে সেঞ্চুরি, মাশরাফির দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড ভাঙলেন মোসাদ্দেক

· Prothom Alo

৪৯ বলে সেঞ্চুরি, লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়েছেন মোসাদ্দেক হোসেন। জাতীয় দলের বাইরে থাকা অলরাউন্ডারের ৫০ বলে ১০১ রান করার পথে ভেঙেছেন ২০১৬ সালে মাশরাফি বিন মুর্তজার গড়া ৫০ বলের সেঞ্চুরির রেকর্ড। বাংলাদেশের মাটিতে লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে মোসাদ্দেকের চেয়ে কম বলে সেঞ্চুরি আছে শুধু ব্রায়ান লারা ও ব্রেন্ডন টেলরের। তবে মোসাদ্দেক আজ দলকে জেতাতে পারেননি, টানা দ্বিতীয় ম্যাচে হেরেছে তাঁর দল আবাহনী। দিনের আরেক সেঞ্চুরিয়ান সামিউন বাসীরের সেঞ্চুরিতে অবশ্য জিতেছে তাঁর দল লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জ।

মোসাদ্দেকের রেকর্ড সেঞ্চুরি, তবু হার আবাহনীর

৪৯ বলেই অধিনায়ক মোসাদ্দেক হোসেন পেয়েছিলেন সেঞ্চুরি, জিসান আলমের ব্যাটেও ৪৪ বলে আসে ৫৪ রান। তাতে ক্রিকেটার্স একাডেমিতে ২৭ ওভারে নেমে আসা ম্যাচে ৫ উইকেট হারিয়ে ২০৯ রানের সংগ্রহ পায় আবাহনী। ২৮ বলে ফিফটি পাওয়া মোসাদ্দেক ২১ বলেই পেয়ে যান পরের ৫০ রান। রেকর্ড ভাঙার পথে ১০টি ছক্কা ও ৬টি চার মারেন মোসাদ্দেক।

Visit newsbetting.bond for more information.

কিন্তু ক্রিকেটার্স একাডেমি মাঠে ওই রান ৭ বল আর ২ উইকেট হাতে রেখেই তাড়া করে ফেলেছে সিটি ক্লাব। ওপেনার মেহেদী মারুফ ৫৬ বলে ৭১ রান করে তাতে বড় অবদান রাখেন। শেষদিকে ২৮ বলের ঝড়ে ৪০ রান করে অপরাজিত থাকেন গাজী তাহজিবুল। ব্যাট হাতে সেঞ্চুরি করা মোসাদ্দেক হোসেন বল হাতেও নেন ৩ উইকেট।

সেঞ্চুরির পর সামিউনের ৩ উইকেট

গত বছর লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে অভিষেকেই পেয়েছিলেন ৫ উইকেট, ব্যাট হাতে করেছিলেন ৪০ রান। মাঝে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ খেলে এসে এবারও শুরুটা করেছিলেন ভালো। ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ লিস্ট ‘এ’ ম্যাচে এসে এই সংস্করণে প্রথম সেঞ্চুরি পেয়ে গেলেন সামিউন বাসীর। আজ বিকেএসপির ৩ নম্বর মাঠে ১০ ছক্কা ও ৬ ছক্কায় ৭০ বলে ১১৬ রান করে অপরাজিত ছিলেন সামিউন।

সামিউন বাসীর

সামিউন যখন ব্যাটিংয়ে নামেন, ২৭.২ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৭০ রান করেছে লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জ। সেখান থেকে ৩৭ বলে ফিফটি আর ৬৪ বলে তিনি পান সেঞ্চুরি। সামিউনের মারকুটে ব্যাটিংয়ে ৫০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ৩৫৮ রানের বড় সংগ্রহ পায় রূপগঞ্জ।

বড় রান তাড়া করতে নেমে ৪১.৩ ওভারেই ২৭৫ রানে অলআউট বসুন্ধরা স্ট্রাইকার্স হেরেছে ৮৩ রানে। দলটির সর্বোচ্চ ইনিংস জিয়াউর রহমানের। ৩৮ বলে তাঁর ব্যাট থেকে আসে ৬১ রান। ব্যাট হাতে সেঞ্চুরি করা সামিউন বল হাতেও নেন ৩ উইকেট।

আজও জিতেছে মোহামেডান

লক্ষ্যটা ছিল ২১০ রানের। কিন্তু বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটিতে সেটি তাড়া করতে নেমেই কিনা ৫০ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে ফেলে মোহামেডান। সেখান থেকে ১২৭ রানের জুটিতে দলের জয়ের পথে নিয়ে যান তাওহিদ হৃদয় ও তাইবুর রহমান। হৃদয় ৮৫ বলে ৮২ ও তাইবুর ১০০ বলে ৭৪ রান করে আউট হলেও মোহামেডান ৫ উইকেটে জয় পেয়েছে। এর আগে ব্রাদার্সের সোহাগ গাজী ৩৫ বলে ৫০ রান করেন। ২ উইকেট করে নেন মোহামেডানের রিপন মণ্ডল, মুশফিক হাসান, নাঈম আহমেদ ও তাইবুর রহমান।

যানজটে আটকে ছিলেন ক্রিকেটাররা, ম্যাচ শুরু হতে আধঘণ্টা দেরি

জিতেছে প্রাইম ব্যাংকও

ইউল্যাবে ৩৬ ওভারে নেমে আসা ম্যাচে ২০০ রান তুলতেই ৯ উইকেট হারিয়ে ফেলেছিল প্রাইম ব্যাংক। এর মধ্যে ৬৬ বলে ৭৫ রানই আসে জাতীয় দলের হয়ে টেস্ট খেলা শাহাদাত হোসেনের ব্যাটে। ৮ চার ও ২ ছক্কায় এই রান করেন তিনি।

শেষ পর্যন্ত তা-ই যথেষ্ট হয়েছে প্রাইম ব্যাংকের জয়ের জন্য। রান তাড়া করতে নেমে গুলশান ক্রিকেট ক্লাবের ওপেনার মইনুল হোসেন ৫৭ বলে ৬৭ রান করলেও ম্যাচটা ৩২ রানে হেরে গেছে তারা। ৩ উইকেট করে নিয়েছেন প্রাইম ব্যাংকের আলিস আল ইসলাম ও শামীম মিয়া।

মুনিমের ৯২ রানে জিতল গাজী গ্রুপ

বিকেএসপির ৪ নম্বর মাঠে রূপগঞ্জ টাইগার্সের বিপক্ষে বড় জয় পেয়েছে গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স। আগে ব্যাট করা গাজী গ্রুপ ৮ উইকেটে ২৮৫ রানের বড় সংগ্রহ পায়। তাদের এই রানের ভিত গড়ে দেন মুনিম শাহরিয়ার ও সাব্বির হোসেন—৫৮ বলে ১১ চার ও ৫ ছক্কায় ৯২ রান করেন মুনিম, ৭১ বলে সাব্বিরের ব্যাটে আসে ৭২ রান।
ওই রান তাড়ায় নেমে ১০৩ রানেই অলআউট রূপগঞ্জ। আগের ম্যাচে সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার জেতা রহস্য স্পিনার মোহাম্মদ রুবেল আজও ৯.১ ওভারে ৩৫ রান দিয়ে ৪ উইকেট পান।

আবাহনীকে হারানো লেপার্ড হেরে গেল এবার

আগের ম্যাচে আবাহনীকে হারানো ঢাকা লেপার্ড দ্বিতীয় ম্যাচে এসে হেরে গেছে অগ্রণী ব্যাংকের কাছে। ২৫০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ২১৫ রানে অলআউট হয়ে যায় তারা।

পিকেএসপিতে অধিনায়ক ইমরুল কায়েসের ৬০ বলে ৬৪ ও জাহিদ জাভেদের ৮৫ বলে ৬৬ রানে বড় সংগ্রহ পায় অগ্রণী ব্যাংক। লেপার্ডের আলাউদ্দীন বাবু ৫৭ রানে পান ৫ উইকেট। রান তাড়ায় নেমে সৈকত আলীর ৭৬ বলে ৫৬ রানের বাইরে কেউই তেমন রান পাননি। অগ্রণী ব্যাংকের রবিউল হক ও আরিফ আহমেদ নেন ৩টি করে উইকেট।

৯৯ রানে অপরাজিত আশিক, নড়বড়ে ৯০–এ কাটা সাইফ, বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের হার

Read full story at source