রোমাঞ্চকর পথে জামতলা সৈকত

· Prothom Alo

প্রায় তিন কিলোমিটারের বুনো পথ হেঁটে তবেই পৌঁছানো যায় জামতলা সি বিচে। যাতায়াতে মোট ছয় কিলোমিটারের এই পদযাত্রা কেবল একটি গন্তব্যে পৌঁছানোর পথ নয়, এটি সুন্দরবনের হৃৎস্পন্দনকে কাছ থেকে অনুভব করার এক অনন্য অভিজ্ঞতা। ঘন টাইগার ফার্নের ঝোপের মধ্য দিয়ে তৈরি করা নির্দেশিত কাঠের ও কাঁচা পথ ধরে হাঁটার সময় প্রতি পদে তাড়া করে এক অজানা রোমাঞ্চ—হয়তো এই ঝোপের ওপাশেই দাঁড়িয়ে আছে বনের রাজা বেঙ্গল টাইগার! রোমাঞ্চকর সেই হাঁটাপথের নানা মুহূর্ত নিয়ে ছবির এই গল্প।

Visit newsbetting.cv for more information.

জামতলা সৈকত অভিমুখে ট্রলারে যাওয়ার সময় চোখে পড়ে ম্যানগ্রোভ বনের নিস্তব্ধ খালের এমন মায়াবী রূপ।ঘন হয়ে থাকা টাইগার ফার্নের ঝোপ। সুন্দরবনের এই ফার্নঝোপেই বাঘের আনাগোনা বেশি থাকে।বনের মাঝখানে বিস্তৃত এই সবুজ প্রান্তর দেখে হঠাৎ গলফ মাঠ মনে হতে পারে। প্রতিটি ঘাস সমান মাপে ছাঁটা। আসলে হরিণের দল প্রতিনিয়ত কচি ঘাসের ডগা খেয়ে পুরো মাঠকে এমন রূপ দিয়ে রেখেছে। বুনো পথে কোনো শব্দ না করে এগোলে দেখা মিলবে চিত্রা হরিণের পাল। তবে অচেনা কারও উপস্থিতি টের পেলেই মুহূর্তেই চম্পট দেয় তারা। হরিণের দল সতর্ক ও লাজুক হলেও বানরের দল একেবারেই উল্টো। সৈকতের কাছাকাছি ঝোপের আড়ালে তখনো দেখা যায় কয়েকটি চিত্রা হরিণ। রোমাঞ্চকর বনের পথ পেরিয়ে অবশেষে দেখা মেলে কাঙ্ক্ষিত জামতলা সৈকতের। রোদের আলোয় আকাশে ডানা মেলে চক্কর দিচ্ছে চিল।সৈকতের ভেজা বালুতে খালি পায়ে হাঁটলে শরীরে যেন একরকম প্রশান্তি বয়ে যায়।

Read full story at source