কেব্ল কার এখন ধ্বংসস্তূপ
· Prothom Alo
চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ার হোসনাবাদ ইউনিয়নের দক্ষিণ নিশ্চিন্তপুর এলাকায় এভিয়ারি অ্যান্ড ইকোপার্কে ১৭ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত কেব্ল কার এখন ধ্বংসস্তূপ। ২০২৪ সালের আগস্টে ভাঙচুর ও লুটপাটের পর দুই বছরেও এটি মেরামত করতে পারেনি বন বিভাগ। দীর্ঘদিন অচল থাকায় অবহেলা ও অযত্নে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে কেব্ল কারসহ পার্কের বিভিন্ন অবকাঠামো ও যন্ত্রপাতি। চট্টগ্রাম অঞ্চলের বন সংরক্ষক, এটি মেরামত অত্যন্ত ব্যয়বহুল। ক্ষয়ক্ষতি যাচাই করতে প্রথমে বিদেশ থেকে অভিজ্ঞ কারিগরি দল আনতে হবে। এরপর প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ আমদানি করতে হবে; কিন্তু অর্থ বরাদ্দ না থাকায় সেই প্রক্রিয়া এগোচ্ছে না। ইকোপার্কের এই ধ্বংসস্তূপ নিয়ে এবারের ছবির গল্প। ছবিগুলো ১৭ সেপ্টেম্বর তোলা
Visit tr-sport.bond for more information.
রাঙ্গুনিয়ার এভিয়ারি অ্যান্ড ইকোপার্কের প্রবেশদ্বার। দীর্ঘদিন ধরে অযত্নে পড়ে আছে পার্কটি। একসময় দর্শনার্থীরা এসে এই কক্ষে অপেক্ষা করতেন। এরপর এখান থেকে কেব্ল কারে চড়তেন। কক্ষটি এখন ভাঙচুরের ক্ষত নিয়ে পড়ে আছে। দর্শনার্থীদের বসার চেয়ারগুলো ভেঙে এখানে–সেখানে ফেলে রাখা হয়েছে। কেব্ল কারের শেষ স্টেশনে নেমে এই সিঁড়ি দিয়ে নিচে নেমে পুরো পার্কটি ঘুরে দেখতে পারতেন দর্শনার্থীরা। একেকটি কেবিনের চারপাশ কাচ দিয়ে ঢাকা ছিল। দর্শনার্থীরা এতে বসে ওপর থেকে পাহাড়, বন ও জলাধারের সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারতেন।পড়ে আছে সাতটি কেবিন। সব কটির কাচ ভাঙা। ভেতরের যন্ত্রপাতির বেশির ভাগই নেই। পার্কের কর্মচারীরা জানান, কেবিন ও ভারী যন্ত্রপাতি ওজনের কারণে লুটপাটকারীরা নিয়ে যেতে পারেনি। বেশ কিছু ম্যাকাও পাখি পার্কে আনা হয়েছিল। লুটপাটের সময় কয়েকটিকে ধরে নিয়ে যায় হামলাকারীরা। এখন বন বিভাগের যত্নে টিকে আছে কয়েকটি পাখি। পাখির চোখে রাঙ্গুনিয়ার এভিয়ারি অ্যান্ড ইকোপার্ক।