হোপের ১৬২*, ভারতের বিপক্ষে দুর্দান্ত জয় ওয়েস্ট ইন্ডিজের

· Prothom Alo

অফ স্টাম্পের বাইরে ফুল লেংথ বল। শাই হোপ ব্যাট চালালেন আলতো করে। বল গড়িয়ে গেল লং অফে। সেই এক রানেই শেষ। জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে গেল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। আর সেই জয়ের নায়ক ১৪৩ বলে ১৬২ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলা শাই হোপ। ১৭টি চার মেরেছেন, সঙ্গে ৩টি ছক্কা। তাঁর এই বিশাল সেঞ্চুরিতেই ম্লান হয়ে গেছে লোকেশ রাহুলের অপরাজিত এক সেঞ্চুরি, রোহিত শর্মার ৮৫ বলে ৯২ রানের ইনিংস। যে দুই ইনিংসে ভর করে আগে ব্যাট করা ভারত তুলেছিল ৭ উইকেটে ৩৫১ রান।

Visit newssport.cv for more information.

হোপের ব্যাটে চড়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সেই ম্যাচ জিতেছে ৫ উইকেট ও ১০ বল হাতে রেখে। তিন ম্যাচের সিরিজ অবশ্য আগেই ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে গিয়ে জিতে নিয়েছিল ভারত, শেষ ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজের এই জয়ে ব্যবধান হলো ২-১।

অভিষেক–তিলকের ঝড়ে পাকিস্তানকে হারাল ভারত, জিতল সোনা

স্কোরকার্ড দেখে যতটা সহজ মনে হচ্ছে, কাজটা আসলে তত সহজ ছিল না হোপের জন্য। নিউ চণ্ডীগড়ের ভ্যাপসা গরমে ৫০ ওভার উইকেটকিপিং করেছেন। এরপর ইনিংসের শুরুতে নেমে ৪৮.২ ওভার ব্যাটিং। মাঝপথে ক্র্যাম্পও ধরেছে। তবু থামেননি হোপ। দাঁতে দাঁত চেপে খেলে গেছেন। শেষ পর্যন্ত অপরাজিত ১৬২ রানের ইনিংস খেলেই দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়লেন।

২০২৩ সালের পর ভারতের বিপক্ষে এটি ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রথম ওয়ানডে জয়।

২০২৩ সালের পর ভারতের বিপক্ষে এটি ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রথম ওয়ানডে জয়। শুধু তা-ই নয়, ৩৫২ রানের লক্ষ্য তাড়া করে জয়ের রেকর্ডও গড়েছে তারা। ওয়ানডেতে নিজেদের ইতিহাসে এটিই সর্বোচ্চ সফল রানতাড়া।

টস জিতে আগে ব্যাট করতে নামা ভারতের হয় অভিষেক হয় অংশুল কাম্বোজের। শুরুটা অবশ্য ভারতের ভালো হয়নি। তৃতীয় ওভারেই ফিরে যান শুভমান গিল ও বিরাট কোহলি। গিল করেন ১ রান। জেডেন সিলসের বলে লেগ সাইডে এজ দিয়ে আউট। একই ওভারে সিলসের শিকার কোহলি। গোল্ডেন ডাক।

১১ ওভারে ২ উইকেটে ২৮। সেখান থেকে ৩৫০ পার করা ভারতের জন্য বড় চ্যালেঞ্জই ছিল। রোহিত শর্মা আর রুতুরাজ গায়কোয়াড় সেই কাজটাই করেন। শুরুতে ধীরে খেলেন। পরে গতি বাড়ান। রোহিত এক ছক্কায় বদলে দেন ছন্দ। গায়কোয়াড়ও বারবার সুযোগ পেয়েছেন। ফিল্ডাররা ক্যাচ ফেলেছেন একাধিকবার।

১২৯ রানে অপরাজিত ছিলেন লোকেশ রাহুল।

রোহিত ফিফটি করেন। এরপর বাউন্ডারির বন্যা। সেঞ্চুরির দিকেই যাচ্ছিলেন। কিন্তু ৯২ রান করে পুল করতে গিয়ে আউট। গায়কোয়াড়ও ফিফটি করেন। তবে ভাগ্য বেশিক্ষণ সঙ্গ দেয়নি। এরপর দায়িত্বটা চলে যায় রাহুলের কাঁধে।

নামান ধিরকে নিয়ে পাল্টা আক্রমণ শুরু করেন রাহুল। মাঝখানে ধির ও নিতীশ রেড্ডি বড় কিছু করতে পারেননি। তবু রাহুল থামেননি। ইনিংসের শেষ ভাগে টেলএন্ডারদের সঙ্গে নিয়ে এগিয়েছেন। শেষ দুই ওভারে রাহুল যেন অন্য রূপে। চারটি ছক্কা ও একটি চার। ১২৯ রানে অপরাজিত থেকে দলকে নিয়ে যান ৭ উইকেটে ৩৫১-এ।

এই রানও যথেষ্ট হলো না।

Read full story at source