দীপাবলিতে মহাশ্মশানে সমবেত সনাতন ধর্মাবলম্বীরা

· Prothom Alo

দীপাবলি উপলক্ষে প্রতিবছরের মতো এবারও বরিশালের কাউনিয়া এলাকার প্রায় ২০০ বছরের পুরোনো মহাশ্মশানে সমবেত হন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। প্রয়াত স্বজনদের স্মরণে তাঁদের সমাধিতে ফুল ও মাটির প্রদীপ ও মোমবাতি জ্বেলে পূজা দেন পরিবারের সদস্যরা। অনেকেই বাসা থেকে নিয়ে আসেন স্বজনের বাঁধানো ছবি। মহাশ্মশানের ভেতরের এই আনুষ্ঠানিকতার পাশাপাশি বাইরে বসে ঐতিহ্যবাহী গ্রামীণ মেলা। সেখানে মিষ্টি, পূজার উপকরণ, শিশুদের খেলনাসহ নানা ধরনের পণ্যের পসরা সাজান বিক্রেতারা। আর সন্ধ্যা নামতেই প্রদীপ ও রঙিন বাতিতে আলোকিত হয়ে ওঠে পুরো মহাশ্মশান প্রাঙ্গণ।

Visit turconews.click for more information.

দীপাবলি উপলক্ষে মহাশ্মশানের প্রবেশপথের সড়কে মোমবাতি ও দেশলাইয়ের পসরা সাজিয়ে বসেছেন বিক্রেতারা; সেখান থেকে কেনাকাটা করছেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। মহাশ্মশান প্রাঙ্গণে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দায়িত্ব পালন করছেন পুলিশ সদস্যরা; পাশেই খেলনার পসরা নিয়ে বসেছেন এক বিক্রেতা। উৎসব উপলক্ষে শ্মশানের বাইরে বসেছে মেলা; সেখানে মেয়েকে কোলে নিয়ে মিষ্টিজাতীয় খাবার কিনছেন এক তরুণ। প্রয়াত স্বজনের বাঁধানো ছবি নিয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মহাশ্মশানের সমাধিস্থলে প্রবেশ করছেন এক তরুণী। শ্মশানসংলগ্ন মেলার একটি দোকানে পছন্দমতো কেনাকাটা করছেন ক্রেতারা। প্রয়াত স্বজনের বাঁধানো ছবি হাতে দাঁড়িয়ে আছেন এক নারী। প্রয়াত স্বজনের সমাধিতে ফুল, মোমবাতি ও ফলমূল ও মুড়ি দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন এবং প্রার্থনা করছেন এক নারী। ফুল ও প্রদীপ দিয়ে সাজানো হয়েছে এক শিশুর সমাধি; বেদিতে রাখা হয়েছে প্রয়াত সেই শিশুর দুটি বাঁধানো ছবি। গোধূলিলগ্নে মহাশ্মশানের কেন্দ্রীয় পুকুরজুড়ে জ্বলে ওঠে নানা রঙের বাতি; কৃত্রিম ফোয়ারা ও আলোর প্রতিফলনে তৈরি হয় ভিন্ন আবহ।

Read full story at source